পশ্চিমবঙ্গের মাটিতেই গড়ে উঠুক প্রতিরক্ষা শিল্প করিডর। রাজ্যে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির পরিকাঠামো গড়ে তুলতে কেন্দ্রের কাছে এই দাবি জানাতে চলেছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সূত্রের খবর, প্রবাসী ভারতীয়-সহ দেশের একাধিক শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম তৈরির কারখানা গড়ার বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। উত্তরপ্রদেশের ধাঁচে বাংলার মাটিতে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনের পরিকাঠামো তৈরির দাবি নিয়ে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে শীঘ্রই কথা বলবেন শমীক বলে সূত্র মারফত জানা গিয়েছে ।
শমীকের বক্তব্যের মূল সুর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর লক্ষ্যকে সামনে রেখে উত্তরপ্রদেশের মতো বাংলাকেও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হোক। তাতে একদিকে দেশের প্রতিরক্ষা উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে বাংলায় তৈরি হবে নতুন শিল্প ও কর্মসংস্থানের সুযোগ। প্রতিরক্ষা উৎপাদনের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যেই বাংলায় পরিকাঠামো তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। গত ২৩ অগস্ট পশ্চিমবঙ্গে গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স (জিআরএসই) এবং যন্ত্র ইন্ডিয়ার পাঁচটি সম্প্রসারণ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়েছে। প্রায় ৩,৫০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পগুলিতে জাহাজ নির্মাণ, জাহাজ মেরামতি ও প্রতিরক্ষা উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও ছোট-মাঝারি শিল্পের সুযোগ তৈরির কথা জানিয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।
আরও পড়ুন:
এর পাশাপাশি পূর্ব মেদিনীপুরের জুনপুটে ডিআরডিও-র ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রের কাজও এগোচ্ছে। প্রায় ৮.৭৩ একর জমিতে এই পরিকাঠামো গড়ে উঠবে, যা ওড়িশার চাঁদিপুরের পরীক্ষাকেন্দ্রের পরিপূরক হিসেবে কাজ করবে। এবিষয়ে রাজ্য সরকারের বক্তব্য, বড় কোনও প্রতিরক্ষা উৎপাদন প্রকল্প এলে জমির ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। কেন্দ্রীয় প্রকল্পে জমি ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহী আম্বানি, আসতে পারে প্রতিনিধি দল, বড় ঘোষণা শুভেন্দুর
-
সিএপিএফ মোতায়েন নিয়ে প্রশ্ন ডেরেকের, আলোচনা হবে সংসদীয় কমিটির বৈঠকে
-
সংঘের সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক রাজ্য বিজেপির, লক্ষ্মীবারে দিল্লিতে এক টেবিলে শমীক-শুভেন্দু
-
একবারেই কর্মীদের ৭ বছরের বকেয়া ডিএ মেটাবে সরকার, বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের
-
স্থানীয়দের কাঁধে চেপে এলাকা পরিক্রমা, বাংলার এই দুর্গাপ্রতিমা নিরঞ্জনেও রয়েছে বিশেষ চমক