Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Uttar Pradesh

খামারবাড়িতে যুবতীকে ‘গণধর্ষণ’, অভিযোগ পুলিশ ও সিআরপিএফের জওয়ানদের বিরুদ্ধে, গ্রেপ্তার ৪

ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। সাসপেন্ড করা হয়েছে পুলিশ অফিসারদের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১২:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬, ১২:২৩

options
link
খামারবাড়িতে যুবতীকে ‘গণধর্ষণ’, অভিযোগ পুলিশ ও সিআরপিএফের জওয়ানদের বিরুদ্ধে, গ্রেপ্তার ৪ zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

রক্ষকই ভক্ষক! উত্তরপ্রদেশে যুবতীকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার দুই পুলিশ ও দুই সিআরপিএফ জওয়ান। অভিযোগ, হরিয়ানার যুবতীকে ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার নামে খামারবাড়িতে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আমরোহা জেলায়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে আমরোহা জেলার হাসানপুর এলাকায়। হাসানপুরে পুলিশ স্টেশনে কর্মরত এক সাব ইন্সপেক্টর, হেড কনস্টেবল। সিআরপিএফের হেড কনস্টেবসল ও সাব ইন্সপেক্টর যুবতীকে গণধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ। অভিযোগকারী যুবতীর বয়ান অনুযায়ী, ২০ তারিখ তাঁর পরিচিত এক মহিলা নির্যাতিতার সঙ্গে যোগাযোগ করে। বিভিন্ন ধর্মীয়স্থান পরিদর্শনের কথা বলে। মুজাফফরনগরের সৌরং গ্রামের বাসিন্দা সিআরপিএফ মোহিতের সঙ্গে দেখা করতে বলেছিলেন তিনি। সেই মতো ২১ তারিখ নির্যাতিতা হরিয়ানার সনিপতে অভিযুক্ত মোহিতের সঙ্গে দেখা করেন। সেখান থেকে তাঁরা মারাটে যান। সেখানে মোহিতের সঙ্গে দেখা করেন তাঁর সহকর্মী সিআরপিএফের হেড কনস্টেবল লালারাম যাদব। ২২ তারিখ তাঁরা হাসানপুরের খামারবাড়িতে পৌঁছয়। রাস্তায় হাসানপুরের সাব-ইন্সপেক্টর সঞ্জয় তোমার তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন। পুলিশের হেড কনস্টেবল প্রোমদ তাঁদের জন্য খামারবাড়িতে খাবার ও মদের আয়োজন করেছিলেন। সেই সন্ধ্যায় মোহিত, যাদব ও তোমর পরপর যুবতীকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। এরপর প্রমোদ ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তিনি তাঁকে ঠেলে বাইরে বের করে দরজা আটকে দেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার ভোর ৬টার দিকে নির্যাতিতা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। হাসানপুর ও রাজাবপুর থানার পুলিশ দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে। অভিযুক্ত চারজনকেই আটক করে। পুলিশ সুপার লক্ষ্মণ সিং যাদব জানিয়েছেন, “নির্যাতিতার অভিযোগের ভিত্তিতে অপহরণ বা প্রলোভন দেখিয়ে নিয়ে যাওয়া, এবং গণধর্ষণের অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (বিএনএস)-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। চারজনকেই গ্রেপ্তার করে বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছে।”

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সাব-ইন্সপেক্টরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে। দুই আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জানিয়ে সিআরপিএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। হাসানপুর কোতোয়ালির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অমর পাল সিং-এর তথ্যমতে, যে খামারবাড়িতে ঘটনাটি ঘটেছে বলে অভিযোগ সেটি উত্তরাখণ্ডের এক নির্দল বিধায়কের মালিকানাধীন বলে জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, ‘যখন অপরাধের উপর ভিত্তি করে শাসনকার্য চলে, তখন পুলিশ বাহিনীও দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়ে।’ উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আরও লেখেন, ‘এই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর গায়ে এমন এক ‘কলঙ্ক’ লেপে দিয়েছে যা কোনওভাবেই মুছে ফেলা সম্ভব নয়।’ তিনি এ বিষয়ে ‘ঐতিহাসিক পদক্ষেপ’ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.