Leander Paes

আচমকা বিধানসভায় হাজির লিয়েন্ডার পেজ, সাক্ষাৎ বিধায়কদের সঙ্গে, এবার কি রাজ্যসভায়?

আচমকা এভাবে বিধানসভায় কেন হাজির হলেন লিয়েন্ডার? কিংবদন্তি টেনিস তারকাকে নিয়ে একাধিক জল্পনা শোনা যাচ্ছে।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৬, ২১:০১

options
link
আচমকা বিধানসভায় হাজির লিয়েন্ডার পেজ, সাক্ষাৎ বিধায়কদের সঙ্গে, এবার কি রাজ্যসভায়?
বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর লিয়েন্ডার পেজ। ফাইল ছবি

বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ঠিক আগে আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শেষ মুহূর্তে টিকিট মেলেনি। হয়তো ভোটে লড়ার কথাও ছিল না তাঁর। তবে বঙ্গ নির্বাচনে বিজেপির অভাবনীয় সাফল্যের পর ফের চর্চায় কিংবদন্তি টেনিস তারকা। মঙ্গলবার আচমকা বিধানসভায় হাজির হন লিয়েন্ডার (Leander Paes)। বেশ কিছুক্ষণ কথা হয় বিধায়কদের সঙ্গে। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।

Advertisement

প্রশ্ন হল, আচমকা এভাবে বিধানসভায় কেন হাজির হলেন লিয়েন্ডার? কিংবদন্তি টেনিস তারকাকে নিয়ে একাধিক জল্পনা শোনা যাচ্ছে। আসলে সদ্যই রাজ্যের ৩ রাজ্যসভা সাংসদ ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁরা তৃণমূলের টিকিটে জিতে এলেও ওই আসনগুলিতে নতুন করে কাউকে রাজ্যসভায় পাঠানোর মতো ক্ষমতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেই। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ‘বিক্ষুব্ধ’ তৃণমূলীদের অর্থাৎ ঋতব্রতর নেতৃত্বাধীন তৃণমূল বিধায়কদের সমর্থন জোগাড় করতে পারলে ৩ আসনেই নিজেদের প্রার্থীদের রাজ্যসভায় পাঠাতে পারবে বিজেপি।

Advertisement

মঙ্গলবার আচমকা লিয়েন্ডার বিধানসভায় চলে আসায় জল্পনা, ওই ৩ জনের মধ্যে একজন হতে পারেন তিনি। যদিও এ নিয়ে এখনও না বিজেপি, না লিয়েন্ডার কোনও পক্ষই মুখ খোলেনি। তবে যেদিন বিধানসভায় বিজেপি এবং ‘ঋত’-তৃণমূলের নেতারা উপস্থিত, ঠিক সেদিনই লিয়েন্ডারের আগমন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর এখনও বড় কোনও পদ লিয়েন্ডার পাননি। অথচ তাঁকে বেশ ধুমধাম করে কেন্দ্রীয় স্তরে যোগদান করানো হয়েছিল। এ বার এ হেন সর্বভারতীয় স্তরের তারকাকে বিজেপি কোনও পদে আনার চেষ্টা করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

অবশ্য আরও একটা সম্ভাবনা রয়েছে, সেটা হল ক্রীড়া প্রশাসনে বিরাট পদ পেতে পারেন লিয়েন্ডার। ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজনের জন্য বহু চেষ্টা করছে ভারত। তার জন্য আহমেদাবাদকে কেন্দ্র করে তৈরি হচ্ছে বহু পরিকাঠামো। পাশাপাশি তৈরি হয়েছে মিশন অলিম্পিক ২০৩৬। দশ বছর পর গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ থেকে ভারত যেন অন্তত ১০০টি পদক পায়, সেটা নিশ্চিত করতেই এই মিশন প্রতিষ্ঠা। নানা খেলায় ভারতীয়দের মানোন্নয়নেও জোর দেবে এই মিশন। এই মিশনের শীর্ষ পদেও বসানো হতে পারে লিয়েন্ডারকে। তবে রাজ্যসভার জল্পনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.