Mamata Banerjee

বাংলাদেশে আটকে কাকদ্বীপের ৭৯ মৎস্যজীবী, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

গত অক্টোবর থেকে বাংলাদেশের থানায় রয়েছেন মৎস্যজীবীরা। তাঁদের মুক্তির বিষয়টি দেখুক কেন্দ্র, এমনই দাবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২, ২০২৪, ১৬:২০

options
link
বাংলাদেশে আটকে কাকদ্বীপের ৭৯ মৎস্যজীবী, বিধানসভায় দাঁড়িয়ে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: মাছ ধরতে গিয়ে জলসীমা পেরিয়ে ভুলবশত বাংলাদেশে ঢুকে পড়েছিলেন কাকদ্বীপের কয়েকজন মৎস্যজীবী। পরে তাঁদের উপকূল থেকে থানায় নিয়ে যায় বাংলাদেশের নৌবাহিনী। মাস দুই আগের সেই ঘটনার পর এখনও মৎস্যজীবীরা মুক্তি পাননি। তাঁদের মুক্তি দাবি তুলে বিধানসভা থেকে কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, আন্তর্জাতিক বিষয়ে রাজ্যের কিছু করার থাকে না। এটা কেন্দ্রেরই দেখার কথা। সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিস্থিতিতে মৎস্যজীবীদের মুক্তি নিয়ে সরব হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Advertisement

গত অক্টোবরের ঘটনা। সেসময় ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞার মরশুমে বঙ্গোপসাগরে টহল চলছিল বাংলাদেশের নৌবাহিনীর। বিএনএস শহিদ আখতার উদ্দিন নামে একটি জাহাজ নিযুক্ত ছিল এই কাজে। গত ১৪ অক্টোবর তার রাডারে ধরা পড়ে সন্দেহজনক দুটি মাছ ধরার ট্রলার। ভালোভাবে পর্যবেক্ষণের পর নৌবাহিনী দাবি করে, ট্রলার দুটিতে ভারতীয় পতাকা ছিল। এর পর ওই জলসীমাতেই ট্রলার দুটিকে আটক করা হয়। পরে পটুয়াখালি বন্দরে নিয়ে যাওয়া হয় তৎক্ষণাৎ ৩১ জন মৎস্যজীবী-সহ কাকদ্বীপের ওই দুটি ট্রলারকে। মৎস্যজীবীদের স্থানান্তরিত করা হয় কলাপাড়া থানায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সোমবার বিধানসভায় সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ”কিছুদিন আগে ৭৯ জন মৎস্যজীবী ভুল করে ঢুকে গিয়েছিল। এখন আমরা ট্র্যাক করতে পারি। তাদের থানায় নিয়ে গিয়ে এখন জেলে নিয়ে গিয়েছে বলে শুনেছি। আমরা নিজেরা আইনজীবী দিয়েছি তাদের জন্য। ভুল করেছি কিনা জানি না। কিন্তু আজও তাঁরা মুক্তি পায়নি। অথচ বাংলাদেশের একটা জাহাজ এখানে আটকে যায়। আমরা উদ্ধার করি, চিকিৎসা করি, ফিরিয়েও দি।” এই বিষয়টি কেন্দ্রের উপর চাপালেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইস্যুতে এদেশের জাতীয়তাবাদী সরকারের বিদেশ মন্ত্রক, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অবস্থান নিয়ে ইতিমধ্যে সমালোচনা শুরু হয়েছে। হিন্দু নির্যাতন নিয়ে প্রতিবেশী দেশের বিষয়ে যে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেটাই প্রত্যাশিত। কিন্তু এতদিন বাংলাদেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের তরফে এমন কোনও বার্তা কিংবা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। সে প্রসঙ্গ তুলেই এদিন কেন্দ্রের উপর চাপ বাড়ালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। 

Advertisement

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.