রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ‘চ্য়াংদোলা’ মন্তব্যকে ঘিরে ফের উত্তাল বিধানসভা। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের (Mamata Banerjee) ভাষণের সময় স্লোগান তুললেন বিজেপি বিধায়করা। পালটা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “রোজ অশান্তি, ভাঙচুর করতে দেব না।” প্রতিবাদে ফের অধিবেশন কক্ষে কাগজ ছেঁড়েন শুভেন্দুরা। ওয়াকআউট করে ফের বিধানসভা চত্বরে বিক্ষোভে শামিল হন তাঁরা। অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বিধায়ক শংকর ঘোষ।
মঙ্গলবার মুসলিম বিধায়কদের নজিরবিহীনভাবে আক্রমণ করেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিধানসভায় সেই বিষয়টিই তুলে ধরেন মন্ত্রী গোলাম রব্বানি। এরপরই অশান্তি শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। তখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলতে শুরু করেন। এদিকে স্লোগান তোলেন বিজেপি বিধায়করা। তাঁর মাঝেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি গতকালের বিবৃতি শুনেছি। চেয়ারটা সকলের। যদি কারও কিছু বলার থাকে বলতে পারে। আমি বসে শুনব। আমার কথা ওরা শুনবে না, শ্লোগান তুলবেন, চিৎকার করবেন, এটা গণতন্ত্র নয়। আমি গণতন্ত্রকে সন্মান করি। বিরোধীদের কাছে আবেদন আমাকে আমার কথা বলতে দিন।” মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরও থামেননি বিজেপি বিধায়করা। স্লোগান তোলার পাশাপাশি এদিন ফের কাগজ ছিঁড়ে ওয়াক আউট করেন তাঁরা। এরপরই বিধানসভা চত্বরে প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভে শামিল হন পদ্মশিবিরের বিধায়করা। মুখ্যমন্ত্রী ও বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার অধিবেশন ওয়াকআউট করার পর বিধানসভা গেটের বাইরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি বিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন। বলেন, “ওঁদের তো হারাবই। আর বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। তখন ওদের দল থেকে যে কজন মুসলিম বিধায়ক জিতে আসবে, তাদের চ্যাংদোলা করে রাস্তায় ছুঁড়ে ফেলে দেব।” সেই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই এদিন ফের উত্তপ্ত হল বিধানসভা।
সর্বশেষ খবর
-
ন’মাস ধরে যৌন নিগ্রহের শিকার! নাবালিকার সন্তান প্রসবের পর কু-কীর্তি ফাঁস, এন্টালিতে গ্রেপ্তার যুবক
-
দার্জিলিঙে রোপওয়ে করবে আদানিরা! শুভেন্দু সরকারের উদ্যোগে বঙ্গ পর্যটনে নতুন দিগন্ত
-
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একজোট বিরোধীরা, অপসারণের দাবিতে এবার সংসদের দু’কক্ষেই ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব!
-
দুধের তৈরি না হলে বলা যাবে না ‘পনির’, ভেজালের রমরমা রুখতে কড়া নিয়মের পথে কেন্দ্র
-
পুজোয় বাঙালির পাতে পড়বে না পদ্মার ইলিশ! রুপোলি শস্য রপ্তানিতে মেলেনি ছাড়পত্র