TMC at Calcutta HC

ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল, দ্রুত শুনানির আর্জি, কী বলল আদালত?

অশান্তির ঘটনায় এখনও পর্যন্ত গ্রেপ্তার ১৩ জন।

গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৮, ২০২৬, ১৪:০০

options
link
ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল, দ্রুত শুনানির আর্জি, কী বলল আদালত?
ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল

কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দপ্তর থেকে বিলবোর্ড খোলার ঘটনায় হাই কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল। শুক্রবার সকালে এই বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূলের আইনজীবী কিশোর দত্ত। মামলা দায়ের করার অনুমতি দিয়েছেন রাজা বসুচৌধুরী। তৃণমূলের তরফে এই বিষয়ে দ্রুত শুনানির আর্জিও জানানো হয়।

Advertisement

ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার স্কোয়ার ফুটের বেশি জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস রয়েছে। তৃণমূল আমলে এই অফিস থেকেই নানান ‘নির্দেশ’ যেত জেলায় জেলায়, নেতাদের কাছে। সেই বাড়ির মাথায় জ্বলজ্বল করত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা সাইনবোর্ড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই সাইনবোর্ডই ভেঙে দেয় কলকাতা পুরসভা। কাজটা অবশ্য নির্বিবাদে হয়নি। দফায় দফায় বচসায় জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীদের।

এদিন আদালতে তৃণমূলের আইনজীবী বলেন, “বিকেল ৪টে বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ তৃণমূলের অফিসে গিয়ে কলকাতা পুরসভার কর্মীরা বিলবোর্ড ভেঙে দেওয়ার কাজ করেন। বৃহস্পতিবারই হাই কোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিকে জানানো হয়েছিল। প্রধান বিচারপতি এই বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বলেন।” এরপরই তৃণমূলের আইনজীবী অতিরিক্ত তালিকা বার করে যত দ্রুত সম্ভব মামলাটি শোনার আর্জি জানান। বিচারপতি রায়চৌধুরী তৃণমূলের আইনজীবীকে মামলা দায়ের করে তার নম্বর নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “মামলার নম্বর না পড়লে আমি শুনতে পারব না। মামলার নম্বর আসার পরেই শুনানি হবে। তার আগে সম্ভব হয়। আপনি নম্বর নিয়ে আসুন আজকেই শুনানি হবে।” পাশাপাশি, মামলার অন্য পক্ষকেও বিষয়টি জানাতে বলেন তিনি।

Advertisement
ক্যামাক স্ট্রিটে কার্যালয়ের সামনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব ছবি।

ক্যামাক স্ট্রিটে তিন হাজার স্কোয়ার ফুটের বেশি জায়গা জুড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস রয়েছে। তৃণমূল আমলে এই অফিস থেকেই নানান ‘নির্দেশ’ যেত জেলায় জেলায়, নেতাদের কাছে। সেই বাড়ির মাথায় জ্বলজ্বল করত ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ লেখা সাইনবোর্ড। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেই সাইনবোর্ডই ভেঙে দেয় কলকাতা পুরসভা। কাজটা অবশ্য নির্বিবাদে হয়নি। দফায় দফায় বচসায় জড়ান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। উপস্থিত তৃণমূল নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রীতিমতো ধস্তাধস্তি হয় পুলিশ এবং পুরসভার কর্মীদের। সিঁড়িতে শুয়ে পড়ে পুলিশ ও পুরসভার কর্মীদের আটকানোর চেষ্টা করেন রাজ্যসভার তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ অন্যরা। বেশ কয়েক জন পুলিশকর্মীকে ধাক্কা দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। শেষ পর্যন্ত অবশ্য কোনও বাধাই কাজে আসেনি। তারা বিলবোর্ড খুলে দেয়। যদিও সামান্য সময়ের ব্যবধানে ফের বিলবোর্ড বসায় তৃণমূল। এই ঘটনায় পুলিশ-পুরসভার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৩ জনকে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.