Mamata Banerjee on Ritabrata Banerjee

‘মাসে লাখ টাকা ভাড়া দিই, কেন তালা দিলেন?’, পার্টি অফিস ‘দখলে’ ঋতব্রতদের তোপ মমতার

শুক্রবার মেট্রোপলিটানের তৃণমূল কার্যালয়টি রীতিমতো 'দখল' করে বসেন ঋতব্রতপন্থীরা। এনিয়ে মমতার প্রশ্নের মুখে পড়ে ইস্তফা দেন অভিমানী চন্দ্রিমা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৯:২১

options
link
‘মাসে লাখ টাকা ভাড়া দিই, কেন তালা দিলেন?’, পার্টি অফিস ‘দখলে’ ঋতব্রতদের তোপ মমতার

পার্টি অফিস দখল নিয়ে এবার সম্মুখ সমরে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার সন্ধ্যায় মেট্রোপলিটানের কার্যালয় থেকে যার সূচনা। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা (Ritabrata Banerjee) গিয়ে পার্টি অফিসটি রীতিমতো দখল করে তালা লাগিয়ে দেন। অথচ ওই কার্যালয়েই নিয়মিত বসেন দলের সদ্য প্রাক্তন রাজ্য সভানেত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। যদিও শুক্রবারের ঘটনার সময়ে তিনি সেখানে ছিলেন না বলেই দাবি করেছেন। কেন পার্টি অফিস দখল হতে দিলেন? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) এই প্রশ্নের মুখে পড়ে শনিবার দলের পদ ছেড়ে দেন চন্দ্রিমা। এরপর বিকেলেই ফেসবুক লাইভ করে এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া দিলেন কালীঘাট তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মেট্রোপলিটানের তৃণমূল কার্যালয়ের নথিপত্র দেখিয়ে তিনি জানান, ‘‘আমাদের আগের পার্টি অফিসটা ভেঙে পড়ছিল। তাই সেটার কাজ হচ্ছিল। এই সময়ে আমরা মেট্রোপলিটানের বাড়িটা ভাড়া নিই। মাসে মাসে ১ লাখ টাকা ভাড়া দিই চেকে। কেন তালা দিয়ে এলেন?”

Advertisement

ফেসবুক লাইভে একই অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো রসিদ দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘‘মাসে মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাড়া দিই চেকে। আর আপনারা বলছেন, ভাড়া দেওয়া হয় না? বলা হচ্ছে, মালিকানাহীন? আমাদের পার্টি অফিসে কাজ হয়। কোথাও কোনও পার্টি অফিস না থাকলেও মানুষের কাজ হবে। আমার এই ৩০ বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট গোড়া থেকেই দলীয় কার্যালয় হিসেবে আছে এবং থাকবে। নিশ্চিন্তে থাকুন, আমি থাকব।” 

শুক্রবার ভবন-দখলের পর শনিবার সকালেই তপসিয়ার পুরনো পার্টি অফিসে দেখা গেল দলের রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনকে। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, ‘‘পার্টি অফিস আমাদের মন্দিরের মতো। এখানে রোজ বসি, লোকজনের সমস্যা শুনি, সমাধানের চেষ্টা করি। এখন দুর্ভাগ্য এই যে যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে তৈরি দল থেকে, তাঁরই নির্বাচন করে দেওয়া প্রার্থী হয়ে, দলের প্রতীকের জোরে ভোটে জিতে আজ ছেড়ে যাচ্ছেন, তাঁরা বেইমানি করছেন।” পার্টি অফিস সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে দোলা সেন জানান, মেট্রোপলিটানের ওই বাড়ি ভাড়ার চুক্তি ২০২৭ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যে মালিকানাহীন অথবা ভাড়া না পাওয়ার যে অভিযোগ তুলে ঋতব্রতপন্থীরা তা দখল করেছেন, তা সম্পূর্ণ বেআইনি। তাঁর শ্লেষ, এই আচরণ যাঁরা করছে, তাঁদের মানুষের পর্যায়ে ফেলি না।”

Advertisement

ফেসবুক লাইভে একই অভিযোগ তুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রীতিমতো রসিদ দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘‘মাসে মাসে ১ লাখ টাকা করে ভাড়া দিই চেকে। আর আপনারা বলছেন, ভাড়া দেওয়া হয় না? বলা হচ্ছে, মালিকানাহীন? আমাদের পার্টি অফিসে কাজ হয়। কোথাও কোনও পার্টি অফিস না থাকলেও মানুষের কাজ হবে। আমার এই ৩০ বি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট গোড়া থেকেই দলীয় কার্যালয় হিসেবে আছে এবং থাকবে। নিশ্চিন্তে থাকুন, আমি থাকব।” 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.