Mamata Banerjee

জোড়াফুল হাতছাড়া হলে ফুলেই থাকবেন মমতা! তৈরি কালীঘাটপন্থীদের প্ল্যান ‘বি’

১৯৯৭ সাল। ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক বেছে নিয়েছিলেন মমতা। আজ, ২০২৬। প্রতীক হাতছাড়া হলে কোন ফুল বাছবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী?

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: আগস্ট ২, ২০২৬, ১৬:২২

options
link
জোড়াফুল হাতছাড়া হলে ফুলেই থাকবেন মমতা! তৈরি কালীঘাটপন্থীদের প্ল্যান ‘বি’
আইনি লড়াইয়েও প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল। ফাইল ছবি।

কালীঘাট ও ঋতব্রত শিবির। দু’টি ভাগ তৃণমূলের। দু’পক্ষই নির্বাচন কমিশনে দাবি করেছে তারাই আসল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আগেই জানিয়েছেন, প্রতীক হাতছাড়া হলে তিনি নতুন প্রতীক নিয়ে ঝাঁপাবেন। এবার জানা যাচ্ছে, তিনি তৈরি করে ফেলেছেন প্ল্যান ‘বি’। ফুলেই থাকছেন তিনি। অর্থাৎ জোড়াফুল হাতছাড়া হলে অন্য ফুল বেছে নেবেন তিনি। একই সঙ্গে চলবে আইনি লড়াইও। কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের প্রতীক কী হবে তা জানা যায়নি। মমতার সঙ্গী বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, “তৃণমূল কংগ্রেস মানেই মমতা। মমতা মানেই তৃণমূল। আমাদের দল পুরোপুরি প্রস্তুতি। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই ব্র্যান্ড। তিনি কোন প্রতীকের প্রতিনিধিত্ব করছেন তা আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।”

Advertisement

১৯৯৭ সাল। ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক বেছে নিয়েছিলেন মমতা। আজ, ২০২৬। প্রতীক হাতছাড়া হলে কোন ফুল বাছবেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী? রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনও দলের প্রতীক শুধুমাত্র সেই দলকে প্রতিনিধিত্ব করে না। তার সঙ্গে জুড়ে থাকা সাধারণের আবেগকেও বোঝায়। জোড়াফুল প্রতীক সাধারণ মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের সংযোগকে অনেকটাই প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিল বলেই মত। শেষ পনোরো বছরে তা প্রমাণিতও বটে। এবার প্রতীক হাতছাড়া হলে মমতা কোন প্রতীক বাছবেন তা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে। পরিকল্পনা তৈরি তা জানাচ্ছে সূত্র। কিন্তু যে প্রতীক নিয়ে তার তৃণমূল কংগ্রেসের শুরু। যে প্রতীক নিয়ে মমতা ৩ বারের মুখ্যমন্ত্রী। তা সহজেই ছেড়ে দেবেন? উত্তর না। সূত্র জানিয়েছে, আইনি লড়াইয়েও প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল।

Advertisement

উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত ও কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের কাছে কাগজপত্র চেয়েছে। মমতাপন্থীরা তা জমা দিয়েছেন। তবে ঋতব্রতরা এখনও কাগজ দেননি বলে খবর। নিয়ম অনুযায়ী, দলের সংসদীয় (বিধানসভা ও সাংসদ) ও সাংগাঠনিক স্তরের বেশি সমর্থন যে দিকে থাকবে সেই অংশই প্রতীক পাবে। প্রতীক নিয়ে মমতার দীর্ঘদিনের সঙ্গী বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় জানান, “প্রতীকের ব্যাপারে আমাদের ৭ দিনের সময় দেওয়া হয়েছিল। ওদের তিনবার সময় দেওয়া হল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সঠিকভাবে চিঠি লিখেছেন। সঠিক কাজ করতে হলে কমিশনেরও তাড়াতাড়ি সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।” ঘাসফুল প্রতীক হাতছাড়া হলে কী করবেন প্রশ্নে তিনি জানান, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব কিছুতেই তৈরি থাকেন। এটা নিয়েও সিদ্ধান্ত নেবেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.