মমতা

সৌজন্যের রাজনীতি, নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মমতা

রাজনীতির বরফ কি এবার গলবে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৯, ১৯:৫৪

options
link
সৌজন্যের রাজনীতি, নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন মমতা

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় মাস দু’য়েক ধরে দীর্ঘ যে টানাপোড়েন চলছিল, তার অবসান হয়েছে ২৩ মে। এবছরের লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছে এনডিএ। সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে বিজেপি। দলের সিদ্ধান্ত মেনেই আরও একবার দিল্লির মসনদে বসতে চলেছেন নরেন্দ্র মেদি। ৩০ মে তাঁর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। আর সমস্ত বৈরিতা ভুলে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পশ্চিবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, এদিনই ইফতার পার্টিতে নিমন্ত্রণ ছিল মুখ্যমন্ত্রীর। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য সেটি বাতিল করতে হয় বলে খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, নিয়ম মেনে প্রতিটি রাজ্যের কাছে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে আসার আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছিল। আমন্ত্রণপত্র এসেছিল এরাজ্যেও। কিন্তু ভোটের আগে মোদি ও মমতা যেভাবে কাদা ছোঁড়াছুড়ি করেছেন, তার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অনুষ্ঠানে দিল্লি যাবেন কিনা, তা ছিল কোটি টাকার প্রশ্ন। জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। কিন্তু মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যাবেন। বলেছেন, এমন অনুষ্ঠানে সৌজন্য বড় ব্যাপার। সেই সৌজন্য রক্ষার খাতিরেই দিল্লি যাবেন তিনি। এনিয়ে অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গেও কথা বলছেন বলে জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ আরও পড়ুন: ‘মেরে চামড়া গুটিয়ে ডুগডুগি বাজানো হবে’, তৃণমূলকে হুমকি রাহুল সিনহার ]

Advertisement

আগামী বৃহস্পতিবার সন্ধে সাতটায় শপথ নেবেন নরেন্দ্র মোদি। দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী পদে তিনি শপথ নেবেন। শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে অমিত শাহ-সহ একাধিক বিজেপির শীর্ষ নেতার। উপস্থিত থাকবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। তিনিই প্রধানমন্ত্রীকে শপথবাক্য পাঠ করাবেন। এছাড়া অন্যান্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এমন সিদ্ধান্তের পর বিভিন্ন মহলে শুরু হয়ে গিয়েছে জল্পনা। এমনিতে দুই রাজনৈতিক দলের নেতা মানেই আদায়-কাঁচকলায় সম্পর্ক। কিন্তু সৌজন্যতার নজিরও যে নেই তা নয়। এখন প্রশ্ন, একি শুধু সৌজন্যের খাতিরেই আমন্ত্রণ রক্ষা? নাকি এবার কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে ঠান্ডা লড়াই দূরে সরিয়ে দেবে রাজ্য?

[ আরও পড়ুন: চাপের মুখে সিদ্ধান্ত বদল, গরমের ছুটি কমছে রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে ]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন