অর্ণব আইচ: ফের কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে এল জালনোট। সোমবার রাতে এন্টালি থানা এলাকার মৌলালি চত্বর থেকে জালনোট-সহ গ্রেপ্তার করা হয়েছে এক যুবককে। ধৃতের নাম তোফাজুল হক (২৪)। মালদহের বাসিন্দা ওই যুবক। জানা গিয়েছে, অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ২ লক্ষ টাকার জালনোট। চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্যদের সন্ধানে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ।
[সোশ্যাল মিডিয়ায় বাড়ছে স্বতন্ত্র নির্বাচনের হিড়িক, এখনই ফল জানতে ব্যাকুল নেটিজেনরা]
পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই শহর কলকাতায় জাল বিস্তার করছিল নকল নোটচক্র। ভোটের আগে এই চক্রগুলোর দৌরাত্ম্য কমাতে বেশ কিছুদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশ আধিকারিকেরা। কয়েকদিন আগে জালনোট চক্রে জড়িত সন্দেহে কলকাতা থেকে দীপক মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই তোফাজুল হক নামে এক যুবকের হদিশ পায় কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে এন্টালি থানা এলাকার মৌলালি চত্বরে হানা দেয় তদন্তকারীরা। সেখানে তোফাজুলের আচরণে সন্দেহ হয় পুলিশের। এরপরই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তাঁর আচরণে অসংগতি মেলায় তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যাগে তল্লাশি চালায় তদন্তকারীরা। অভিযোগ, তার কাছ থেকে ১০০টি দু’হাজার নোট জালনোট উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, ধৃত যুবক মালদহের দৌলতপুরের রাঙাইপুরের বাসিন্দা।
[পাহাড়ে নয়া সমীকরণ, তৃণমূলের বিরুদ্ধে জোটে বিমল গুরুং-মন ঘিসিং]
পুলিশের অনুমান, জালনোট একজায়গা থেকে অন্য জায়গায় পাচারের কাজ করত ধৃত যুবক। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করেছে পুলিশ। কোথা থেকে তারা জালনোট পেল, কোথায়ই বা সেগুলো পাচার করা হচ্ছিল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। তবে জানা গিয়েছ, এখনও পর্যন্ত কোনও সদুত্তর মেলেনি। ইতিমধ্যেই, ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
‘পাকিস্তানি হিন্দুদের সহ্য করি’, পাক প্রেসিডেন্টের মন্তব্যকে ‘অসংবেদশীল’ কটাক্ষ জাভেদ আখতারের
-
সাভারকর মন্তব্যে রাহুলের বিরুদ্ধে ‘অহেতুক’ মামলা, গবেষককে জরিমানা করল আদালত
-
আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্যের পর এবার ডুরান্ডের যুদ্ধ, আর্মিকে হালকাভাবে নিচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল
-
রাজসাক্ষী হতে চেয়েও রেহাই নেই! জয় কামদারের বিরুদ্ধে কোটি টাকার দুর্নীতির নয়া অভিযোগ
-
ইউটিউব শর্টসে সরল ‘ডিসলাইক’ চিহ্ন! মতপ্রকাশের অধিকার কেড়ে নেওয়ার কৌশল?