বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের জের, সম্ভাবনা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির

বাইরে বেরিয়ে ছাতা সঙ্গে রাখুন।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৮, ২০১৮, ১৫:২২

options
link
বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণাবর্তের জের, সম্ভাবনা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: শীত বেরিয়েছে। বসন্ত জাগ্রত দুয়ারে।এ সময়ে মাথায় কবিতার পংক্তি আর মনে পলাশের ছবি ভেসে ওঠাই স্বাভাবিক। এদিকে ভ্যালেনটাইনস উইকও চলছে। সুতরাং এ সময়ে কে আর ছাতার কথা মনে রাখে। ঘোর বর্ষায় অভিসারে ছাতা থাকে না, তো বসন্তের মুখে থাকবে কোথায়। কিন্তু সে সব অভিসার আর কাব্যে ভাল। সিজন চেঞ্জের এই সময়ে যদি আচমকা ভিজতে না চান, তাহলে তাক থেকে ছাতা পেড়ে ধুলো ঝাড়ুন। কেননা হাওয়া অফিস বলছে, আপাতত দুই পরগনা ও সংলগ্ন অঞ্চলে বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে।

Advertisement

চ্যাংড়াবান্ধা হাইস্কুলে প্রকাশ্যে ছাত্রীদের শ্লীলতাহানি, অবশেষে ধৃত বহিরাগত দুষ্কৃতী ]

Advertisement

বেশ কিছুদিন ধরেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছিল একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত। যা শক্তি বাড়িয়ে নিম্নচাপের রূপ নিয়েছে। বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত বলতে এটির পাক ঘড়ির কাঁটার উলটোদিকে। ফলে স্থলভাগের দিকে হু হু করে ঢুকছে জলীয় বাষ্প। সে কারণে আকাশে মেঘের আনাগোনাও বিস্তর। এর জেরেই দুই পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। তার প্রভাব পড়তে পারে সংলগ্ন অঞ্চলেও। নিম্নচাপের জেরেই মাঘের শেষে বৃষ্টির সম্ভাবনাও প্রবল হয়েছে। তবে এই ঘূর্ণাবর্তের অভিমুখ বাংলাদেশের দিকে। ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে মৎস্যজীবীদেরও।

Advertisement

ভিনরাজ্যের যুবকের রহস্যমৃত্যু দু্র্গাপুরে, ‘ফেসবুক ফ্রেন্ড’-এর ফ্ল্যাটে মিলল দেহ ]

এদিকে শীত কাটতেই হু হু করে বাড়ছিল পারদ। দিনকয়েকের গরমেই যেন হাঁফ ধরেছে কলকাতার। পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহে কলকাতার আকাশ অংশত মেঘলাই থাকবে। বৃহস্পতিবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৩২.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে যা ৪ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত ২৪ ঘণ্টায় শহরে বৃষ্টি হয়নি।

weather_web

তার উপর মাঘ শেষের আগেই হাজির ফাগুন হওয়া। ঝরা পাতার সঙ্গেই ঘরে ঘরে হানা দিতে শুরু করেছে মরশুমি রোগ। সবচেয়ে বেশি কাহিল অবস্থা শিশু ও বয়স্কদের। দিনের গরম সহনশীল হলেও রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গেই কমছে তাপমাত্রা। ভোরের দিকে হালকা কম্বলও চড়াতে হচ্ছে শহরবাসীকে। শহর জুড়ে এই খামখেয়ালি আবহাওয়ার জন্যই বাড়ছে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ার দাপট, মত শহরের চিকিৎসকদের। অন্যদিকে শহরজুড়ে এই সময় প্রতিবছরই বাড়তে থাকে ধূলিকণার দাপট। ধোঁয়া, ধুলোর দাপটে দিনের ব্যস্ত সময়ে শরীরে যে বিষ ঢুকছে তাতেই বাড়ছে শ্বাসকষ্ট, সিওপিডি, ব্রঙ্কিওনিউমোনিয়ার মতো রোগ। সুতরাং অসময়ে ভিজে শরীর আরও খারাপ করার কোনও মানে হয় না। এখন থেকেই সতর্ক থাকুন।

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমেও পড়াশোনা সম্ভব, পথ দেখাচ্ছেন মিত্র ইনস্টিটিউশনের প্রাক্তনীরা ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.