Dilip Ghosh

চাষের সরঞ্জামেও তোলা পুলিশের! শমীকের পর এবার দিলীপ বললেন, ‘সবই আমরা জানি’

ভিনরাজ্যে থেকে অত্য়াধুনিক যন্ত্র বাংলায় আসে। অনেকেই তা ভাড়া করে নিয়ে আসেন। দিলীপের দাবি, বাংলা সীমান্তে প্রবেশের সময় পুলিশের একাংশকে ২০ হাজার পর্যন্ত তোলা দিতে হয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৬, ২০২৬, ১৯:০৮

options
link
চাষের সরঞ্জামেও তোলা পুলিশের! শমীকের পর এবার দিলীপ বললেন, ‘সবই আমরা জানি’
ফাইল ছবি।

দলের অন্দরে তোলাবাজি, অনিয়মে সরব হয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। ক্ষমতার মধুতে মজেছেন একাংশ। এ কথা বলে আগেই বিঁধেছেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এবার বললেন, পুলিশের একাংশ দুর্নীতে যুক্ত। চাষের যন্ত্রপাতি বা সরঞ্জাম বাংলা সীমান্তে নিয়ে প্রবেশ করলে পুলিশ তোলা নিচ্ছে বলে অভিযোগ দিলীপের। বললেন, “আমরা সবই জানি।”  পাশাপাশি ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

Advertisement

দিলীপের এই মন্তব্যের পর পুলিশ মহলের একাংশ বলছে, মন্ত্রী যা বলেছেন তা একেবারেই অমূলক নয়। তবে সবাইকে একই নজরে দেখলে হবে না। সীমান্তবর্তী এলাকার অনেক পুলিশ আধিকারিকরা এই কাণ্ডে যুক্ত থাকতে পারেন।

চাষের মরশুমে ভিনরাজ্য থেকে বাংলায় আধুনিক যন্ত্র আসে। তা ভাড়া করে নিয়ে আসা হয়। দিলীপের দাবি, বাংলা সীমান্তে প্রবেশের সময় পুলিশের একাংশকে ২০ হাজার পর্যন্ত তোলা দিতে হয়। সেই অংশ দালালদের সঙ্গে যুক্ত বলেও দাবি তাঁর। বুধবার ‘বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে’ বিকশিত এগফুড টেক সামিটে গিয়ে দিলীপ বলেন, “বছরে নির্দিষ্ট সময়ে বাইরে থেকে যন্ত্র আনা হয়। কয়েক মাস ব্যবহার করা হয়। সীমান্ত পেরিয়ে আসার সময় পুলিশ হোক কিংবা অন্য এজেন্সি ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে। ২০ হাজার দিয়ে দিলে থাকবে কী?”

Advertisement

দিলীপের এই মন্তব্যের পর পুলিশ মহলের একাংশ বলছে, মন্ত্রী যা বলেছেন তা একেবারেই অমূলক নয়। তবে সবাইকে একই নজরে দেখলে হবে না। সীমান্তবর্তী এলাকার অনেক পুলিশ আধিকারিকরা এই কাণ্ডে যুক্ত থাকতে পারেন। তাঁদের শনাক্ত করে দ্রুত পদক্ষেপ করতে হবে। কয়েকজনের জন্য গোটা ডিপার্টমেন্টের নাম বদনাম হচ্ছে। অনুষ্ঠান শেষে দিলীপ আরও বলেন, “সবই আমরা জেনেছি। সবে সরকার তৈরি হয়েছে। নিয়ম তৈরি হবে। কৃষকরা অনুমতি নিয়ে সব নিয়ে আসে। তারপরও বিপাকে পড়তে হয়।”

Advertisement

তৃণমূল আমলে ব্যাপক দুর্নীতি, তোলাবাজিতে অতিষ্ঠ ছিল রাজ্যবাসী। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য থেকে রাজ্য বিজেপির নেতারা বারবার দলের কর্মী নেতাদের সংযত থাকার বার্তা দিয়েছেন। দিল্লিতে সুনীল বনসলের সঙ্গে এ বিষয়ে বৈঠকও হয়েছে। রাজ্য সরকারও একাধিক ব্যবস্থা নিয়েছে। খোলা হয়েছে হেল্পলাইন। দুর্নীতি থেকে কোনও অভিযোগ উঠলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নিচু তলার নেতা-কর্মীদের পর পুলিশের বিরুদ্ধেও তোলাবাজির অভিযোগ তুললেন দিলীপ। সতর্ক করে দিলীপ জানিয়েছেন, ব্যবস্থা হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে দলের নেতাদের বিরুদ্ধে তোলাবাজি নিয়ে সরব হয়েছিলেন দিলীপ। কিছু বিজেপি কর্মী ও নেতা হঠাৎ ক্ষমতা পেয়ে মধুতে আসক্ত হয়েছেন বলে সমালোচনা করেছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। এবার পুলিশের একাংশ তোলা তুলছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.