অরক্ষিত কারশেড থেকে হকার-দুষ্কৃতী চড়ছে ট্রেনে, দেখেও উদাসীন রেল

অভিযোগ যাত্রীদের, দেখুন দুরবস্থার ভিডিও।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৫, ২০১৮, ২০:২০

options
link
অরক্ষিত কারশেড থেকে হকার-দুষ্কৃতী চড়ছে ট্রেনে, দেখেও উদাসীন রেল

সুব্রত বিশ্বাস: সপ্তাহখানেক আগেই ১২ দুষ্কৃতীকে হাওড়া স্টেশনের পাশের এক হোটেল থেকে গ্রেপ্তার করেছিল আরপিএফ। দিল্লি ও হরিয়ানাবাসী ওই দুষ্কৃতীরা হাওড়া থেকে ট্রেন ছাড়ার পর যাত্রীর ব্যাগ চুরি করে নেমে যেত কারশেড এলাকায়। এই ঘটনার পর কারশেড এলাকায় প্রহরা বাড়ানোর নির্দেশ দেয় রেল। এত কাণ্ডের পরও কারশেড এলাকা এখনও অরক্ষিত বলে অভিযোগ উঠল।

Advertisement

[  মাসের শেষে অ্যাকাউন্টে ২৬ লক্ষ! হতবাক রাজধানী এক্সপ্রেসের চালক ]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কারশেড এলাকা থেকে চলন্ত ট্রেনে চড়ছেন হকাররা। হাওড়া থেকে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলির গতি সেখানে কম থাকে, এই সুযোগে চড়ছেন হকার। হকারের ছদ্মবেশে ট্রেনে দুষ্কৃতী চড়ার ঘটনা কোনও অস্বাভাবিক ব্যাপার নয় বলে অভিযোগ তুলেছেন যাত্রীরা। বৃহস্পতিবার দুপুরে কারশেডে আরপিএফের ইয়ার্ড পোস্টের অদূরে লাইনের পাশ দিয়ে অসংখ্য হকারকে দেখা যায়, চা-এর কেটলি-সহ, ঝালমুড়ি ও জলের বোতল নিয়ে চলন্ত ট্রেনে চড়ছেন। বিষয়টি অবশ্যই জানেন আরপিএফ কর্তারা। আরপিএফের সিনিয়র কমান্ড্যান্ট রজনীশ ত্রিপাঠী বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। তবে কারশেড এলাকাটি একেবারে খোলামেলা। ফলে পুরোপুরি নজরদারি সম্ভব হচ্ছে না। প্রয়োজনে চেকিং বাড়ানো হয়। কারশেড এলাকা মোটেই খোলামেলা নয় বলে পাল্টা দাবি অন্যান্য বিভাগের রেলকর্মীদের। লাইন পারাপার করলেই তাঁকে ধরে জরিমানা করে আরপিএফ। তবে কারশেড এলাকায় হকারদের এই দৌরাত্ম্য কেন নজরে আসছে না আরপিএফ কর্মীদের? হকাররা অবশ্য এইভাবে ট্রেনে চড়াটাকে অলিখিত আইনে পরিণত করেছেন। হকারদের কথায়, আরপিএফ মাসোহারার পাশাপাশি দৈনিক প্রত্যেক হকারের থেকে ১০০ টাকা করে আদায় করে থাকে।

Advertisement

[  শিশু বিক্রিতে এবার নাম জড়াল মিশনারিজ অফ চ্যারিটিরও ]

আরপিএফ কর্মীদের শৃঙ্খলায় আনতে রেল বোর্ড আরও কঠোর পদক্ষেপে যাচ্ছে  বলে জানা গিয়েছে। মেট্রোপলিটান সিটি যেমন কলকাতা, দিল্লি, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের রেল জোনগুলিতে আরপিএফ আইজির পদটি আবার আইপিএস পদ মর্যাদার ব্যক্তিদের আনার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। আগে বরাবরই ওই পদে আইপিএসরা বসলেও পরবর্তী সময়ে আরপিএফ সার্ভিসের কর্মীদের সেখানে বসানো হয়। এবার আবার সেই আগের পদ্ধতি চালুর কথা ভাবছে রেল বলে জানা গিয়েছে। পূর্ব রেলের আইজির বদলি হলেও সেখানে আইপিএস পদমর্যাদার কাউকে আনার জন্য বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.