Bidhannagar

বিধাননগরে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে বাধার মুখে পুরসভা, ‘নোটিস পাইনি’, দাবি আবাসিকদের

তবে একাংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৫, ১৪:৫৪

options
link
বিধাননগরে বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে বাধার মুখে পুরসভা, ‘নোটিস পাইনি’, দাবি আবাসিকদের
বিক্ষোভ আবাসিকদের। পাশে চলছে বাড়ি ভাঙার কাজ।

দিশা ইসলাম, বিধাননগর: এবার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে আবাসিকদের বাধার মুখে পড়ল বিধাননগর পুরসভা। বৃহস্পতিবার পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগরে ওই নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। নির্দেশের পরই ঘটনাস্থলে যায় পুরসভার আধিকারিক। বিক্ষোভের মুখে পড়ে ফিরে আসেন তাঁরা। শুক্রবার ফের সেই নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধার মুখে পড়েন কর্মীরা। তবে আজ একাংশ ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে। বাসিন্দাদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। ঘটনায় প্রবল উত্তেজনা এলাকায়।

Advertisement

বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ দুপুর দুটো থেকে অবৈধ বিল্ডিং ভাঙার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মতো ওই দিন তিনটেয় শান্তিনগর এলাকায় যান কর্মীরা। বাড়ি ভেঙে ফেলার কাজ শুরু করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন। শুক্রবার সকালে বেআইনি বিল্ডিং ভাঙতে এলে গেটে তালা লাগিয়ে বিক্ষোভ দেখান আবাসিকরা। বিধাননগর পুরনিগম এবং দক্ষিণ থানার পুলিশকে বিল্ডিংয়ের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেন তাঁরা। মাইকিং করে বিল্ডিং ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পুরনিগম কর্তৃপক্ষ। বিল্ডিং বাইরে থেকে ভাঙার কাজ করছেন পুরকর্মীরা। 

Advertisement

এক আবাসিক বলেন, “আমাদের আগে থেকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি। অসুস্থ বাবা-মা ও বাচ্চাদের নিয়ে কোথায় যাব। আমাদের সময় দেওয়া হোক।” বিধাননগর পুরসভার ইঞ্জিনিয়ার সুরজিৎ বসু বলেন, “এই মামলাটা ২ বছর ধরে চলছিল। একবছর আগে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। মহামান্য আদালতের নির্দেশে আমরা নির্মাণটি ভাঙতে এসেছি। এই কাজ বন্ধ করার কোনও অধিকার আমার নেই। একদিনে ভাঙা হবে না। ধীরে ধীরে সেই কাজ করা হবে। তবে কাজ আমাদের করতেই হবে।”

Advertisement

ওই এলাকায় আগেও অবৈধ নির্মাণ ভাঙা হয়েছে। বছরখানেক আগে একটি ক্লাব ভাঙা নিয়ে উত্তেজনা ছড়ায়। তবে পরে সেই নির্মাণটি ভেঙে ফেলা হয়। ওই এলাকার ৩৩৩টি অবৈধ নির্মাণ নিয়ে মামলা চলছে হাই কোর্টে। সেই আবহে এই নির্মাণটি ভেঙে ফেলার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.