বাংলার মাটিতে স্লিপার সেল তৈরির ছক বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠন জামাত-উল-মুজাহিদিন অর্থাৎ জেএমবির! আর সেই তথ্য হাতে পেতেই রাজ্যের ৫ জায়গায় তল্লাশিতে নামল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ (NIA Raid)। অসমের একটি মামলায় আজ, মঙ্গলবার সকাল থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুর, পূর্ব বর্ধমান, ডায়মন্ড হারবার-সহ আরও বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, একেবারে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই এই তল্লাশি অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে।
আরও পড়ুন:
তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বিভিন্ন সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে বাংলার বেশ কিছু যুবকের মগজধোলাই করা হচ্ছে। অসমে ধৃত ওই যুবককে জেরা করে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে। ধৃতের ল্যাপটপ-সহ বেশ কিছু নথি ঘেঁটেও তথ্য পান তদন্তকারীরা।
জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে অসমে জঙ্গি সন্দেহে এক যুবককে গ্রেপ্তার করে এনআইএ। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, ধৃত ওই যুবক জামাত-উল-মুজাহিদিনের সক্রিয় সদস্য। শুধু তাই নয়, তাঁকে জেরা করেই বাংলাদেশের এই জঙ্গি সংগঠনের মডিউল বাংলায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বলেও জানতে পারেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এমনকী বাংলার মাটিতে স্লিপার সেল তৈরি করতে বাংলাদেশের এই জঙ্গি সংগঠন কাজ করছে বলেও তদন্তে উঠে আসে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, বিভিন্ন সমাজমাধ্যমকে ব্যবহার করে বাংলার বেশ কিছু যুবকের মগজধোলাই করা হচ্ছে। অসমে ধৃত ওই যুবককে জেরা করে এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য উঠে আসে। ধৃতের ল্যাপটপ-সহ বেশ কিছু নথি ঘেঁটেও আরও তথ্য পান। এরপরেই এদিন সকালে এনআইএ’র একাধিক টিম রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে একযোগে তল্লাশি শুরু করেন। জানা যায়, হরিরামপুরের এবং ডায়মন্ড হারবারের দুই জায়গায় এবং পূর্ব বর্ধমানের এক জায়গায় এই এনআইএ তল্লাশি চলছে বলে খবর।
বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকমাস আগেই বর্ধমানে জঙ্গি যোগে হামিদ-ই-মহম্মদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তদন্তকারী সংস্থা। রেনেসাঁ হাউসিং থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। জানা যায়, ধৃত হামিদ জইশের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। বেশ কিছুবছর ধরেই বাংলাতেই থাকছিলেন হামিদ। শুধু তাই নয়, ধৃত হামিদকে জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য পান গোয়েন্দা আধিকারিকরা। জানা যায়, সরকারের যাবতীয় গতিবিধি, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর গতিবিধি, কোন গাড়িতে তিনি যাচ্ছেন, তিনি কখন গাড়িতে উঠবেন, গাড়ি কতদূর যাবে, গাড়ির চালক কে, কোথায় পার্কিং করা হবে, সমস্ত তথ্য ধৃত ওই জঙ্গির হাতে ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। শুধু তাই নয়, হাবড়া এলাকা থেকে রানা রইউফ-সহ আরও বেশ কয়েকজনকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আপাতত রানওয়ের ধারে নমাজে ‘না’, ৭ অক্টোবর হাই কোর্টে বাঁকড়া মসজিদ মামলার পরবর্তী শুনানি
-
মহালয়ায় বঙ্গে পা রাখবেন প্রধানমন্ত্রী, ৯ দিনে কলকাতার প্রায় দেড়শো রাস্তা মেরামতির টার্গেট
-
প্রেমের পাঁচ বছরের জন্মদিনে হৃত্বিক সাবার আদুরে আলাপ, প্রাক্তন সুজান লিখলেন…
-
‘নতুন এফআইআর কেন?’ পুলিশকে ভর্ৎসনা করে অভয়ার সৎকার মামলা সিবিআইকে দিল হাই কোর্ট
-
আমেরিকায় ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, দু’বার বিষাক্ত ইঞ্জেকশনেও মরল না মহিলা আসামি! তারপর…