Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
America

আমেরিকায় ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, দু’বার বিষাক্ত ইঞ্জেকশনেও মরল না মহিলা আসামি! তারপর…

১৯৯৫ সালে সহপাঠীকে হত্য়া করেন ক্রিস্টা। দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে থাকার পর বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন দেয় জেল কর্তৃপক্ষ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১, ২০২৬, ১৬:১৪

options
link
আমেরিকায় ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, দু’বার বিষাক্ত ইঞ্জেকশনেও মরল না মহিলা আসামি! তারপর… zoom
মৃত্যদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ক্রিস্টা পাইক।
Advertisement

এই ঘটনা কি অলৌকিক? ‘রাখে হরি মারে কে’ প্রবাদ বাক্যের আদর্শ উদাহরণ! সহপাঠীকে হত্যায় দোষী সাব্যস্ত মহিলা মার্কিন কয়েদি ক্রিস্টা পাইককে দু’বার প্রাণঘাতী ল্যাথাল ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। এরপরও আদালত নির্দেশিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা যায়নি। বাধ্য হয়ে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে হাসপাতাল ভর্তি করেন কারা কর্তৃপক্ষ। কার্যত মৃত্যুদণ্ডের কয়েদিকে এখন বাঁচানোর চেষ্টা করছে মার্কিন প্রশাসন।

১৯৯৫ সাল। সেই সময় আঠারো বছরের ক্রিস্টা তার এক সহপাঠীকে হত্য়া করেন। দীর্ঘ ৩২ বছর কারাগারে থাকার পর বুধবার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে বিষাক্ত ইঞ্জেকশন পুশ করেন জেলের চিকিৎসক। উল্লেখ্য, গত ২০০ বছরে ক্রিস্ট্রিয়া প্রথম মহিলা যার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হচ্ছিল আমেরিকার টেনাসি রাজ্যে। বিষয়টি নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যমে বিপুল হইচই হয়। এরমধ্যেই ক্রিস্টার আইনজীবী বিষাক্ত ইঞ্জেকশনের বদলে গুলি করে হত্যার আবেদন জানান। যদিও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই অবস্থায় মার্কিন আইন অনুযায়ী বিষাক্ত ইঞ্জেকশনেই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার প্রস্তুতি নেয় কারা কর্তৃপক্ষ। যদিও প্রাণঘাতী ইঞ্জেকশনে তিনি জ্ঞান হারালেও জীবিত ছিলেন বলেই খবর। এই অবস্থায় দ্বিতীয় ইঞ্জেকশন দেন চিকিৎসক। আশ্চর্যের বিষয় হল এরপরও কয়েদির হার্ট সচল ছিল। এক আইনজীবী জানান, ল্যাথাল নয়, দ্বিতীয়বার পেনটোবারটিলা নামের একটি বিষাক্ত ইঞ্জেকশন পুশ করার পর ক্রিস্টিয়া জ্ঞান হারান। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরও তার হার্ট সচল ছিল। দ্বিতীয় ইঞ্জেকশনের পরেও তার গোঙানির শব্দ শোনা যাচ্ছিল। এরপর ক্রিস্টাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এখন তাকে জীবনদায়ী চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের দাবি, যখন বিষাক্ত ইনজেকশনে ক্রিস্টার প্রাণ যাচ্ছিল না তখন তার আইনজীবীরা একটি জরুরি ভিত্তিক আবেদন করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার অনুরোধ করেন। স্থানীয় সময় বুধবার রাত ১১টায় নাশভিলের রিভারবেন্ড ম্যাক্সিমাম সিকিউরিটি ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়া হয় ক্রিস্টাকে। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন ‘অলৌকিক’ জীবনীশক্তির অধিকারী মার্কিন মহিলা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.