অভিরূপ দাস : বাড়ির সামনে পুকুর সংস্কার হচ্ছে না। লোক পাঠিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। সে কাজ পছন্দ হয়েছে? নাকি জোড়াতাপ্পি দিয়ে কাজ সেরে পালিয়েছেন কর্মী? পাঁচে দেওয়া যাবে নম্বর। দুই কিংবা তার কম নম্বর দেওয়া হলে ফের লোক পাঠাবেন মেয়র। আবার করতে হবে সংস্কার। ৮৩৫৫৯৯৯১১১ এই নম্বরেই এবার এলাকার কাজের নম্বর দিতে পারবেন বাসিন্দারা। ওই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করলেই ঝটপট দেখবেন মেয়র।
[আরও পড়ুন: ২৫০ বাইকের হদিশ নেই, ফের কোটি টাকার গাড়ি কিনল বঙ্গ বিজেপি ]
পুরসভার চ্যাটবট এবার আরও শক্তিশালী, আরও সক্রিয়। এক মেসেজেই হবে সব কাজ। আসতে হবে না কলকাতা পুরসভায়। শুক্রবার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, বাড়ির ট্যাক্স, দোকানের লাইসেন্স ফি, পার্কিং সংক্রান্ত প্রশ্ন, জল সরবরাহ, বিজ্ঞাপন এমনকী নতুন ফ্ল্যাট কেনার আগে ওই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করে ক্রেতা জেনে নিতে পারবেন বিল্ডিংয়ের প্ল্যান পুরসভার অনুমোদন পেয়েছে কি না। মেয়রের কথায়, ‘‘নাগরিকদের স্বার্থে এমন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। হরেক প্রশ্ন নিয়ে কলকাতা পুরসভায় আসতে হয় সাধারণ মানুষকে। অনেকের বাড়ি দূর দূরান্তে। তাঁদের যাতে কষ্ট করে আর আসতে না হয় তাই এই ব্যবস্থা।’’
অনলাইনে মিউটেশনের আবেদন করেন অনেকে। কেন সময় লাগছে? তারও উত্তর মিলবে এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ করলে। কলকাতা পুরসভার আইটি বিভাগের দায়িত্বে মেয়র পারিষদ সন্দীপন সাহা। তাঁর কথায়, এর নাম দেওয়া হয়েছে সিটিজেন্স ফিডব্যাক মেকানিজম। পুরো বিষয়টি সেজে উঠেছে সন্দীপন সাহার নেতৃত্বে। কোনও আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করতে হলে তাঁর অ্যাপয়ন্টমেন্ট নেওয়া যাবে এই চ্যাটবটে। বিভিন্ন কাজে ফিল্ডে ঘুরতে হয় আধিকারিকদের। অনেক বাসিন্দাকেই ঘুরে ফিরে যেতে হয়। সেটা আর হবে না। মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, এই নম্বরেই হোয়াটসঅ্যাপ করে আবেদন জানাতে হবে। সেখানেই চলে আসবে গেট-পাস। আধিকারিকের সময় অনুযায়ী দেওয়া হবে সাক্ষাতের সময়।
নির্দিষ্ট সময়ে হোয়াটসঅ্যাপে আসা গেট পাস ফটকে দেখিয়ে তবে মিলবে প্রবেশপত্র। পাশাপাশি পুরসভার কর্মীদের জন্যে চারটি গেটে শুরু হচ্ছে বায়োমেট্রিক সিস্টেম। পুরকর্মীদের প্রবেশ করতে গেলে ফোটো নেওয়া হবে। নেওয়া হবে ফিঙ্গারপ্রিন্ট। এমন ব্যবস্থা থাকবে সাক্ষাৎপ্রার্থীদের জন্য। মেয়র জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থেই এটা শুরু করা হচ্ছে। খুব শীঘ্রই পুরসভার নিজস্ব একটা অ্যাপ চালু হবে। সেই অ্যাপের মাধ্যমে একটা ওয়ার্ক ডায়েরি তৈরি করতে হবে পুরসভার কর্মীদের। প্রতিদিন পুরসভার প্রতিটি কর্মী কী কাজ করছে তা লিখতে হবে ওয়ার্ক ডায়েরিতে। অ্যাপের মাধ্যমে নজরদারি করবেন আধিকারিকরা। কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বিল্ডিং, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন কি না তা ওই অ্যাপের মাধ্যমেই দেখবেন ডিজিরা।
[আরও পড়ুন: বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে ‘সুপ্রিম’ নির্দেশ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন তাপস মণ্ডল, কী বললেন? ]
সর্বশেষ খবর
-
ঠাকুরদালানে বেঁধে রাখা হয় দেবীকে, বাংলার ‘শিকল বাঁধা দুর্গা’র মাহাত্ম্য জানেন?
-
দাম্পত্য সমস্যা-অমঙ্গল দূর করার টোপ, মহিলার লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পগারপার ‘তান্ত্রিক’
-
সমাজমাধ্যমে পরিচয়, প্রেমের ফাঁদে ফেলে ২ নাবালিকার যৌন হেনস্তা! ধৃত অভিযুক্তরা
-
ঋতব্রত-সহ ১০ বিধায়কের পদ খারিজের আবেদন, সুপ্রিম কোর্টে কালীঘাট তৃণমূল
-
স্কুলের ২২ লক্ষ টাকা তছরুপ! বাগদায় তৃণমূল প্রধানকে ‘ডিম থেরাপি’, ছেঁড়া হল জামা