সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে বাংলা রাজনীতির দোর্দণ্ডপ্রতাপ ব্যক্তিটির ছায়াসঙ্গী ছিলেন তিনি৷ রাজ্য-রাজনীতির বহু পালাবদলের নীরব সাক্ষী ছিলেন বলা চলে৷ পশ্চিমবঙ্গে কমিউনিস্ট পার্টির উত্থান থেকে শীর্ষে আরোহন ও পতনের ইতিবৃত্তও দেখেছেন একেবারে কাছ থেকেই৷ বুধবার শেষ হল এমনই এক ঘটনাবহুল জীবনযাত্রা৷ ৬৯ বছর বয়সে ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হলেন জ্যোতি বসুর আপ্ত সহায়ক জয়কৃষ্ণ ঘোষ৷
জ্যোতি বসুর মতো বর্ণময় রাজনৈতিক চরিত্রের সঙ্গে কাটিয়েছেন তিন দশকেরও বেশি সময়৷ সেই ১৯৭৭ সাল থেকেই জ্যোতি বসুর আপ্ত সহায়ক তিনি৷ যতদিন জ্যোতিবাবু বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তিনিই বহাল ছিলেন এই পদে৷ দীর্ঘকালীন মুখ্যমন্ত্রীত্বের রেকর্ড যদি জ্যোতিবাবুর দখলে থাকে, তবে কোনও সহকারীর পদে দীর্ঘদিন থাকার রেকর্ডও তাঁর দখলেই৷
পেশাসূত্রে তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সহকারী ছিলেন বটে, তবে সম্পর্কটা শুধুই সেখানে আটকে ছিল না৷ বরং কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে ওতপ্রোত জড়িয়ে থাকা জয়কৃষ্ণবাবুর দায়িত্ব ও ভূমিকা যেন ছিল অনেকটাই বেশি৷ এছাড়া তাঁর আর একটি ভূমিকাও রাজনৈতিক মহলে সুপরিচিত ছিল৷ বাম সরকার ও আলিমুদ্দিনের মধ্যে যোগসূত্রটি হয়ে ছিলেন তিনি৷ যে জ্যোতি বসু সাধারণ মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাদের কাছে পরিচিত, তার থেকে অন্যভাবে চিনতেন এই রাশভারী জননেতাটিকে৷ আর তাই সমালোচনার ঊর্দ্ধে উঠে বলতে পারতেন, মানুষের ভাল করা ছাড়া আর কোনও চিন্তা ছিল না প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রীর৷ জ্যোতিবাবুরও অগাধ আস্থার পাত্র ছিলেন তিনি৷
জ্যোতিবাবুর মুখ্যমন্ত্রীত্ব শেষ হওয়ার পর তাঁর ব্যক্তিগত সহায়ক হিসেবে কাজ করেছেন৷ যতদিন বেঁচেছিলেন তিনি, ততদিন ছায়াসঙ্গী হয়েই ছিলেন জয়কৃষ্ণবাবু৷ জ্যোতিবাবুর প্রয়াণের পর থেকে খানিকটা নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন৷ থাবা বসিয়েছিল মারণরোগও৷ বেশ কয়েকদিন ভর্তি ছিলেন টাটা মেডিক্যাল সেন্টারে৷ বুধবার বিকেলে জীবনাবসান হল তাঁর৷
সর্বশেষ খবর
-
ঢেঁড়স এক্কেবারে অপছন্দের? এই ৫ রেসিপি মেনে বানালে ছোটরাও আঙুল চেটে খাবে!
-
বাজারদরে ৯৮০০ কোটি টাকার তফাৎ! তবু ব্রাজিলকে বেগ দিতে পারেন ভারতের কোন ফুটবলাররা?
-
হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের পর ‘বিগ বসে’ ওয়াইল্ড কার্ড এন্ট্রি! শন বললেন, ‘ফিরছি তবে…’, নতুন টুইস্ট?
-
ক্যাপ্টেন স্পার্ক! বিশ্বমাঝে ভারতের মাথা উঁচু করা স্মিত মচ্ছর মনে করালেন নীরজাকে
-
ফিরল রিয়া আহির ‘মুহূর্ত’! মুম্বইয়ের মতোই দিল্লিতেও বাসের পথ রুখলেন তরুণী