Partha Chatterjee

‘সব বোর্ড করেছে, আমি কিছু করিনি, বাঁচান…’, আদালতে আর্জি পার্থর

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির জামিন মামলায় আইনজীবী দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় নির্দোষ। দুর্নীতিতে তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। এর পরই কাতর কন্ঠে পার্থ বলেন, "আর কতদিন আটকে থাকব?"

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৪, ১৯:০৮

options
link
‘সব বোর্ড করেছে, আমি কিছু করিনি, বাঁচান…’, আদালতে আর্জি পার্থর

অর্ণব আইচ: ‘আমি কিছু করিনি, যা করেছে বোর্ড’, জামিন মামলার শুনানিতে বিস্ফোরক প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আইনজীবী দাবি করেন, পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) নির্দোষ। দুর্নীতিতে তাঁর মক্কেলের ভূমিকা ছিল না। এর পরই কাতর কন্ঠে পার্থ প্রশ্ন করেন, “আর কতদিন আটকে থাকব?” এদিকে ফের জামিনের বিরোধিতা করে সিবিআই।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির জামিন মামলার শুনানি ছিল। এদিন ভারচুয়ালি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে আদালতে পেশ করা হয়। জামিনের আর্জি জানিয়ে এদিন পার্থর আইনজীবী বলেন, “মন্ত্রী হিসেবে এই দুর্নীতির সঙ্গে পার্থ চট্টোপাধ্যায় যুক্ত নন। তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। নিয়োগের বিষয় পুরো দেখে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। এস বসু রায় সংস্থার সঙ্গেও পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোনও যোগাযোগ ছিল না।” এর পরই তিনি বলেন, মক্কেলর বয়স ৭৩ বছর, তিনি অসুস্থ। যে কোনও শর্তে তাঁকে জামিন দেওয়া হোক।

Advertisement

এদিন আদালতে পার্থ নিজে বলেন, “আমি নির্দোষ। আমি কিছুই করিনি। যা করেছে বোর্ড করেছে। আমাকে জামিন দিন। আমাকে বাঁচান…। ট্রায়াল শুরু হচ্ছে না। কত দিন আটকে থাকব?” এর পরই জামিনের বিরোধিতা করেছে সিবিআই। তাঁদের আইনজীবী বলেন, ১৫২ জন যোগ‍্য চাকরিপ্রার্থীর নাম তালিকাভুক্ত করা হয়নি। বিভিন্ন এজেন্ট মারফত টাকা তুলে ৭৫২ জন অযোগ‍্য প্রার্থীকে নিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। ৩১০ জন অযোগ্য চাকরি প্রার্থীর চাকরি সুনিশ্চিত করা হয়েছিল। আর এই তালিকা পার্থ নিজে পাঠিয়েছিলেন বলেই অভিযোগ। ফলে এই মুহূর্তে পার্থ চট্টোপাধ্যায় জামিন দিলে তদন্ত ব্যাহত হতে পারে বলেই দাবি সিবিআইয়ের।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.