পালাবদলের পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে রাজ্য সরকার। রেলের এলাকা দখল করার অভিযোগে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ স্টেশনে থাকা দোকান ভেঙে দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু স্টেশনে এখনও স্টল রয়েছে, তবে সেক্ষেত্রেও ডেডলাইন করেছে। নির্দিষ্ট দিনে ফাঁকা করে দেওয়া হবে সেগুলোও। এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানামহলে নানামত। তবে অনেকরই প্রশ্ন, যাত্রী স্বার্থে কি ফাঁকাই রাখা হবে স্টেশন? তার উত্তর হচ্ছে, না। তবে এবার নিয়ম মেনে রেলের অনুমোদন হাতে নিয়ে তবেই ব্যবসা করা যাবে স্টেশন বা স্টেশন চত্বরে। কিন্তু কীভাবে মেলে সেই অনুমতি? খরচই বা কত? চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলোই।
আরও পড়ুন:
জানা যাচ্ছে, ভারতীয় রেল ও আইআরসিটিসি যৌথভাবে ই-টেন্ডার ব্যবস্থার মাধ্যমে স্টল বরাদ্দ করে। এর জন্য প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে, যে কোন স্টেশনে দোকান করতে চান। এরপরই IREPS- পোর্টালের মাধ্যমে সেই স্টেশনের জন্য প্রকাশিত টেন্ডারে অংশ নিতে হবে। তবে তার জন্য কয়েকটি নথি থাকা আবশ্যক। ভোটার আইডি, ঠিকানার নথি, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্কের নথি ও জিএসটি সংক্রান্ত নথি লাগবে। যদি খাবারের দোকান খুলতে চান সেক্ষেত্রে প্রয়োজন এফএসএসএআই লাইসেন্স। আবেদনকারীর বয়স ১৮ উর্ধ্ব হতে হবে।
এবার নিশ্চয়ই ভাবছেন খরচ কত? তা নির্ভর করে স্টেশনের উপর। অর্থাৎ আপনি যদি শিয়ালদহ বা হাওড়ার মতো স্টেশনে দোকান করতে চান, সেক্ষেত্রে খরচ স্বাভাবিকভাবেই অনেকটা বেশি। তবে যদি তুলনামূলক ছোট স্টেশন হয়, তাহলে খরচ বিশেষ নয়। তথ্য অনুযায়ী, শান্তিপুরের মতো স্টেশনে জামাকাপড়ের দোকানের জন্য বছরে গুণতে হয় ২৪ হাজার টাকা। তবে হ্যাঁ, চাইলেই কিন্তু যে কোনও ব্যবসা করা যাবে না স্টেশনে। শুধু স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হস্তশিল্প, কুটির শিল্পজাত দ্রব্য বা এলাকার ঐতিহ্যবাহী সামগ্রীই বিক্রি করা যায়।
সর্বশেষ খবর
-
মিরিকে ধস, জলমগ্ন আলিপুরদুয়ার, তোর্সায় বেড়েছে জল, বিপর্যস্ত উত্তরবঙ্গে দুর্ভোগে পর্যটকরা!
-
শিল্পের খরা কাটছে জঙ্গলমহলে! ইকো টুরিজমে ভরসা করে কর্মসংস্থানের ডাক ঝাড়গ্রামে
-
বাংলায় লিচু-বিপ্লব! অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সুবাদে আকাশপথে ভিনরাজ্যে মরশুমি ফল
-
বয়সকে তুড়িতে উড়িয়ে দুর্গম ‘মুকার বে’ শৃঙ্গ জয় ষাটোর্ধ্ব বসন্তর
-
গাড়িতে বোমা, প্রাক্তন প্রেমিকাকে অপহরণ করে ‘সহমরণে’র ফাঁদ, তারপর…