সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফোন করে রামকৃষ্ণ মঠের অসুস্থ প্রেসিডেন্টের খোঁজ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতায় পা রেখেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে ছুটলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে গিয়ে মহারাজের চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি।
মঙ্গলবার সন্ধেয় কলকাতায় আসেন প্রধানমন্ত্রী। রাতে রাজভবনে থাকার কথা তাঁর। তবে বিমানবন্দর থেকে সেখানে যাওয়ার আগে হাসপাতালে যান মোদি। আপাতত ল্যান্সডাউনের শিশুমঙ্গল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রামকৃষ্ণ মঠে ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী স্মরণানন্দ মহারাজ। ‘আত্মিক টানে’ই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে পৌঁছে গেলেন মোদি। স্বামীজির স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর সেখানে তাঁর চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন।
[আরও পড়ুন: ‘নরেন্দ্র মোদি ভালো মানুষ’, গেরুয়া শিবিরে পা রেখেই দরাজ সার্টিফিকেট অভিজিতের!]
রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের ষোড়শ অধ্যক্ষ স্বামী স্মরণানন্দ। স্বামী আত্মস্থানন্দের জীবনাবসানের পরে ২০১৭ সালের ১৭ জুলাই প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব নেন। বছর দুয়েক আগে অসুস্থ হয়ে একবার হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। সেই সময় কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে বেশ কয়েকদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। তবে তার পর ফের স্বাভাবিক জীবনে ফেরেন। শুরু করেন কাজকর্ম। গত কয়েকদিন আগে ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন স্মরণানন্দ মহারাজ। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা বলেই খবর। রামকৃষ্ণ মিশনেরই এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। রবিবার নবতিপর মহারাজের শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হয়। মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়।
স্বামী স্মরণানন্দের শারীরিক অবস্থার অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। নিয়মিত মহারাজের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিচ্ছেন। এবার বঙ্গসফরে এসে মহারাজকে দেখতে সরাসরি হাসপাতালে হাজির হলেন প্রধানমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন রাজন্যা? লোকসভা ভোটের আগে তুঙ্গে জল্পনা]
সর্বশেষ খবর
-
ভারতীয় রাজার দৌলতে তৃষ্ণা মেটে ইংল্যান্ডের গ্রামবাসীর, ১৬২ বছরের ‘মহারাজা কুয়ো’ আজও বিস্ময়
-
সাংসদ পদ নিয়ে টানাটানি, স্পিকারের কাছে বাড়তি সময় চাইলেন এনসিপিআই সাংসদরা
-
অর্থাভাবে জোটেনি রং-তুলি! শান্তিপুরের বিকাশের পেন-ড্রয়িংই ঠাঁই পাবে থাইল্যান্ডের প্রদর্শনীতে
-
কৌশিকী অমাবস্যায় তারাপীঠে মিলবে হোটেল? ভক্তদের ভিড় সামলাতে বড় পদক্ষেপ বিধায়কের
-
তফসিলি জাতিভুক্ত এবিভিপি নেতা নিখিলকে মারধর, কুকথা! রিপোর্ট চাইল এসসি কমিশন