গোবিন্দ রায়: নিউটাউনের রেস্তরাঁ কাণ্ডে অশান্তির ঘটনায় নয়া মোড়। সেদিনের চড় মারার ঘটনার কোনও সিসিটিভি ফুটেজই টেকনো সিটি থানায় সংরক্ষিত হয়নি। সিসিটিভি কাজ করলেও, ঘটনার বেশ কয়েকদিন আগে থেকে তা রেকর্ড হয়নি। বুধবারের শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টে একথাই জানাল রাজ্য। বিধাননগরের গোয়েন্দা বিভাগের ডিসিকে নতুন করে তদন্ত রিপোর্ট পেশের নির্দেশ বিচারপতি অমৃতা সিনহার। আগামী ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে অগ্রগতি রিপোর্ট পেশের নির্দেশ। ওইদিনই মামলার পরবর্তী শুনানি।
রাজ্যের তরফে বুধবার কলকাতা হাই কোর্টে জানানো হয়, টেকনো সিটি থানার ওসির কাছ থেকে গোটা ঘটনার ব্যাখা তলব করেছেন পুলিশ কমিশনার। থানার ওসির ব্যাখা থাকলে তা আদালতে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি সিনহা। এদিন হাই কোর্টের তরফে সস্ত্রীক রেস্তরাঁ মালিক এবং ম্যানেজারকে রক্ষাকবচ দেওয়া হয়। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রেস্তরাঁ মালিক আনিসুর হক, তাঁর স্ত্রী সাহিল পারভিন এবং রেস্তরাঁ ম্যানেজারকে এখনই গ্রেপ্তারির মতো কোনও পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। আগামী ৩১ জুলাই শুনানিতে পরবর্তী পদক্ষেপ স্থির হবে।
[আরও পড়ুন: জমি দখল ইস্যুতে বড় পদক্ষেপ নবান্নের, বদলি ১৮০ BLRO!]
উল্লেখ্য, গত জুন মাসে শুটিং করার সময় গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে অশান্তির জেরে রেস্তরাঁ মালিককে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর(Soham Chakraborty) বিরুদ্ধে। যদিও পরে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেন। তবে টেকনো সিটি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন আক্রান্ত রেস্তরাঁ মালিক। অভিযোগ, বেশ কয়েকদিন পেরিয়ে গেলেও কোনও পদক্ষেপ করেনি পুলিশ। মামলা দায়েরের অনুমতি চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টে আবেদন করেন রেস্তরাঁ মালিক। বিচারপতি অমৃতা সিনহা অনুমতি দেন। ওই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা বিধাননগরের গোয়েন্দা বিভাগকে তদন্ত চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।
[আরও পড়ুন: গৃহিণীরও থাকা উচিত ‘ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট’, ATM কার্ড, গৃহবধূর অধিকারে সরব সুপ্রিম কোর্ট ]
সর্বশেষ খবর
-
থাইল্যান্ড ভ্রমণে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি ভারতীয় দূতাবাসের, প্ল্যান করার আগে জানুন খুঁটিনাটি
-
হাজার বছরের ধর্মচর্চা, আর্জেন্টিনার জার্সি নীল-সাদার নেপথ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ইতিহাস!
-
‘দেশবিরোধী শক্তিগুলো হিন্দুধর্মকে কলঙ্কিত করছে’, রাম মন্দিরে চুরি নিয়ে বিবৃতি সঙ্ঘের
-
ফ্রিজে রাখলেও গলছে আইসক্রিম! কোথায় গন্ডগোল? বাড়িতেই করুন এ-ফোর পেপার টেস্ট
-
দেশের এই প্রাচীন মন্দির এড়িয়ে চলেন স্থানীয়রা, দেবীর দিকে তাকালে কেন হাড়হিম হয়ে আসে?