গোবিন্দ রায়: বেসরকারি কাজে ব্যবহার করা যাবে না রবীন্দ্র সরোবর। কলকাতা হাই কোর্টের এহেন নির্দেশে রবীন্দ্র সরোবরে এন্টারটেনমেন্ট লিগ আয়োজনে নেমে এল অনিশ্চয়তা। আগামী শুনানির আগে পর্যন্ত সরোবরে তারকাদের ক্রিকেট প্র্যাকটিস বন্ধের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। তাঁর মন্তব্য, “রাজ্য অনেক কিছুই করতে পারে। ময়দানে সেনার জায়গাতেও এমন অনেক কিছুর আয়োজন ওই এলাকাকে নষ্ট করছে। তারকারা রাজ্যের ‘ব্লু আইড বয়’ হতে পারেন। তার মানেই তাঁরা সরকারি সম্পত্তি ব্যবহার করার অনুমতি পাবেন তা নয়। জনতার জন্য বরাদ্দ যে কোনও জায়গা কখনই বেসরকারি কাজে ব্যবহার হতে পারে না।”
রবীন্দ্র সরোবরের ৯৮ কাঠা জমিতে তারকারা ক্রিকেট প্র্যকটিসের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন বলে নোটিস দেয় KMDA। এন্টারটেনমেন্ট ক্লাবকে এই অনুমতি দেওয়া হয়। ওই ক্লাবের তিনজন ডিরেক্টরের মধ্যে একজন হলেন অভিনেতা যিশু সেনগুপ্ত। মূলত তাঁরই উদ্যোগে আয়োজিত হচ্ছিল এন্টারটেনমেন্ট লিগ।
[আরও পড়ুন: শুক্রে বিধানসভায় বিশেষ অধিবেশন, কাটবে সায়ন্তিকা-রেয়াতের শপথ জট?]
তবে সবুজ মঞ্চ নামে একটি পরিবেশপ্রেমী সংগঠনের অভিযোগ, কেএমডিএ-র অনুমতির পর একাধিক গাছ কাটা হয়েছে। তার ফলে বদলে যাচ্ছে সরোবরের চরিত্র। মামলাকারী আইনজীবী অভিষেক শিকদার ও শান্তনু চক্রবর্তী জানান, এপ্রিলে কেএমডিএ-র থেকে অনুমোদন পাওয়ার পরেই রবীন্দ্র সরোবরে একাধিক গাছ কাটা হয়েছে। যার প্রতিবাদ করে সবুজ মঞ্চ। বৃহস্পতিবার হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। এদিনের শুনানিতে খেলা বন্ধের অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেয় হাই কোর্ট। এই মামলায় রাজ্যকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ প্রধান বিচারপতির। আগামী ২৫ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি। তার মধ্যে সরোবরে তারকাদের ক্রিকেট প্র্যাকটিস বন্ধের নির্দেশ প্রধান বিচারপতির।
[আরও পড়ুন: আড়িয়াদহ কাণ্ডে পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং, গ্রেপ্তারি না আত্মসমর্পণ, প্রশ্ন বিরোধীদের]
সর্বশেষ খবর
-
থাইল্যান্ড ভ্রমণে একগুচ্ছ নির্দেশিকা জারি ভারতীয় দূতাবাসের, প্ল্যান করার আগে জানুন খুঁটিনাটি
-
হাজার বছরের ধর্মচর্চা, আর্জেন্টিনার জার্সি নীল-সাদার নেপথ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের ইতিহাস!
-
‘দেশবিরোধী শক্তিগুলো হিন্দুধর্মকে কলঙ্কিত করছে’, রাম মন্দিরে চুরি নিয়ে বিবৃতি সঙ্ঘের
-
ফ্রিজে রাখলেও গলছে আইসক্রিম! কোথায় গন্ডগোল? বাড়িতেই করুন এ-ফোর পেপার টেস্ট
-
দেশের এই প্রাচীন মন্দির এড়িয়ে চলেন স্থানীয়রা, দেবীর দিকে তাকালে কেন হাড়হিম হয়ে আসে?