নিরুফা খাতুন: কসবা-কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর মোড়! সপুত্র রাকেশ সিং গ্রেপ্তার হতেই পালটা শ্লীলতাহানির অভিযোগ। কসবা থানায় এই সংক্রান্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন রাকেশ সিংয়ের মেয়ে। এরপরেই ঘটনায় সপ্তর্ষি খাঁ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। জানা যায়, ধৃত সপ্তর্ষি অভিযোগকারী চান্দু খাঁ’য়ের ছেলে। আজ মঙ্গলবার ধৃত সবাইকেই আদালতে তোলা হবে। ঘটনায় রাকেশ সিং এবং তাঁর ছেলের ভূমিকা যেমন দেখা হচ্ছে, তেমনই শ্লীলতাহানির ঘটনাও খতিয়ে দেখছে কসবা থানার পুলিশ।
কসবা এলাকায় একটি সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত। জানা যায়, কসবায় একটি বিল্ডিংয়ে রাকেশ সিংয়ের অফিস রয়েছে। ওই বিল্ডিংয়ের মালিক ৭০ বছরের বৃদ্ধ চান্দু খাঁ। অভিযোগ, দীর্ঘ সময় ধরে ওই ফ্ল্যাট দখল করে রেখেছেন রাকেশ সিং। ওই ফ্ল্যাট খালি করতে বললে মালিক চাঁন্দু ও তাঁর ছেলেকে মারধর করেন রাকেশ এবং তাঁর লোকজন। এমনকী ঘটনাস্থলে রাকেশ সিংয়ের ছেলেকেও দেখা যায়। ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের একটি সিসিটিভি ফুটেজে সামনে এসেছে। যেখানে দেখা গিয়েছে, অভিযোগকারীদের চ্যাংদোলা করে নিয়ে যাচ্ছেন রাকেশ ও তাঁর লোকজন। এমনকী বৃদ্ধের চোখে রাসায়নিক স্প্রে করা হয় বলেও অভিযোগ। গুরুত্বর জখম বৃদ্ধ হাসপাতালে ভর্তি। থানায় অভিযোগ দায়েরের পর পুলিশ রাকেশ ও তাঁর ছেলেকে গ্রেপ্তার করে। এরপরেই পালটা কসবা থানায় শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেন রাকেশ সিংয়ের মেয়ে। সেই ঘটনায় সপ্তর্ষি খাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ ঘিরে শুরু হয়েছে জোর তরজা।

বলে রাখা প্রয়োজন, এর আগে প্রদেশ কংগ্রেস দপ্তরে ভাঙচুরের ঘটনায় নাম জড়ায় বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, রাকেশ সিংয়ের ছেলেকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বর্তমানে জামিনে ছিলেন তাঁরা দুজনেই। এর মধ্যেই নয়া ঘটনায় ফের পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার রাকেশ এবং তাঁর ছেলে।
সর্বশেষ খবর
-
জিমন্যাস্টিক্সে ফাইনালে প্রণতি নায়েক, অব্যবস্থার শিকার, একার লড়াইয়েও চমক বঙ্গকন্যার
-
সাংসদ যেন কৃষক! নিজের বাড়িতে করম পুজোয় মাতলেন জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো
-
‘বন্ধুত্বে’র প্রতিদান! মুকুন্দপুরে মমতাপন্থীদের ‘আক্রান্ত’ হওয়ার প্রতিবাদ কংগ্রেসের, সুগম জোটের পথ?
-
চৈতন্য ও সুলক্ষণা, ২ হস্তিশাবকের নামকরণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন এই নাম? জানালেন নিজেই
-
এবিভিপি-টিএমসিপি সংঘর্ষের জের! ১ মাস বন্ধ বারাসত বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেল! বেরিয়ে গেলেন ছাত্ররা