RG Kar Case

আর জি করের ‘অভিশপ্ত’ ঘরে দিল্লির সিবিআই টিম, নতুন অফিসারের নেতৃত্বে সুবিচার মিলবে?

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, সেই জায়গাই ফের খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৩, ২০২৬, ১৮:৪৯

options
link
আর জি করের ‘অভিশপ্ত’ ঘরে দিল্লির সিবিআই টিম, নতুন অফিসারের নেতৃত্বে সুবিচার মিলবে?
ফাইল ছবি।

আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন কাণ্ডে (RG Kar Case) ফের সক্রিয় সিবিআই। তদন্তের জাল গোটাতে দিল্লি থেকে ৪ সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি দল পৌঁছয় হাসপাতালে। জয়েন্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে সিনিয়র আধিকারিকদের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

Advertisement

সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, যে জায়গায় তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ, সেই জায়গাই ফের খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। আদালতে নির্যাতিতার মায়ের আবদনের ভিত্তিতেই এই সিবিআইয়ের দলকে পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার সকালে কলকাতার সিবিআই দপ্তরে দীর্ঘসময় বৈঠকের পর দুপুর সিবিআইয়ের বিশেষ দল পৌঁছয় ঘটনাস্থলে।

Advertisement

কয়েকদিন আগেই আর জি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুন মামলার তদন্তকারী আধিকারিক বদল। অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি মেনে সীমা পাহুজাকে বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর বদলে দায়িত্ব পান সন্দীপনী গর্গ। সীমার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রভাবিত করা অভিযোগ ওঠে। বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে এই ঘটনার তদন্তের ১২ নম্বরের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে গঠিত সিট তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী পার্থসারথী দত্ত। আগের যাঁরা ছিলেন তাঁরা তদন্ত করতে পারেননি বলেই অভিযোগ অভয়ার বাবা-মায়ের আইনজীবী অমর্ত্য দে এবং রাজদীপ হালদারের।

Advertisement

কয়েকদিন আগেই আর জি করের তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ ও খুন মামলার তদন্তকারী আধিকারিক বদল। অভয়ার বাবা-মায়ের দাবি মেনে সীমা পাহুজাকে বদলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাঁর বদলে দায়িত্ব পান সন্দীপনী গর্গ। সীমার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রভাবিত করা অভিযোগ ওঠে। বৃহস্পতিবার শিয়ালদহ আদালতে এই ঘটনার তদন্তের ১২ নম্বরের স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা পড়ে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী নতুন করে গঠিত সিট তদন্ত শুরু করেছে বলে জানান সিবিআইয়ের আইনজীবী পার্থসারথী দত্ত। আগের যাঁরা ছিলেন তাঁরা তদন্ত করতে পারেননি বলেই অভিযোগ অভয়ার বাবা-মায়ের আইনজীবী অমর্ত্য দে এবং রাজদীপ হালদারের। সোমবার নতুন তদন্তকারী আধিকারিকের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে কোনও তথ্য-প্রমাণ আগেরপ তদন্ত থেকে বাদ পড়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হয়। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলের বিভিন্ন দিক পর্যবেক্ষণ এবং তদন্ত-সংক্রান্ত নথিপত্রও পুনর্বিবেচনা করা হয় এদিন।

গত ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট, আর জি কর মেডিক্যাল কলেজের তরুণী চিকিৎসক নাইট শিফট করতে যান। ওই রাতেই সব শেষ। সেমিনার হলে তাঁকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। এই ঘটনার তদন্তে নেমে সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে গ্রেপ্তার করে কলকাতা পুলিশ। পরবর্তীকালে কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ঘটনার তদন্তভার নেয় সিবিআই। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে নতুন করে আর কাউকে পাকড়াও করেনি। শেষমেশ শিয়ালদহ আদালত ধৃত সঞ্জয় রায়কে দোষী সাব্যস্ত করে। তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দেয়। তবে এই তদন্তে সন্তুষ্ট নন অভয়ার বাবা-মা। তাঁদের দাবি, এই ঘটনায় আরও অনেকেই জড়িত যারা এখনও তদন্তের আড়ালে রয়ে গিয়েছে।

বাংলায় ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফের নতুন করে আর জি কর ফাইলস খোলেন। এরপরেই তৎকালীন পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, তৎকালীন ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, তৎকালীন ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী কিংবা কোনও মন্ত্রী তাঁদের মেসেজে কিংবা ফোনে কোনও নির্দেশিকা জারি করেছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা। সেই মতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার মধ্যেই সিবিআইয়ের পূর্বাঞ্চলীয় যুগ্ম অধিকর্তার নেতৃত্বে তিন সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। সেইমতো নতুন সিট গঠন করে শুরু হয়েছে তদন্ত। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.