Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ আশ্বিন ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
NCPI

এবার এনসিপিআইতেও ব্রাত্য সুদীপ-কাকলিরা! সিনিয়র সাংসদদের বাদ দিয়েই ঘোষিত জাতীয় কমিটি, তুঙ্গে বিতর্ক

কেন নাম বাদ? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৩:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৬, ১৩:৪৯

options
link
এবার এনসিপিআইতেও ব্রাত্য সুদীপ-কাকলিরা! সিনিয়র সাংসদদের বাদ দিয়েই ঘোষিত জাতীয় কমিটি, তুঙ্গে বিতর্ক zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

সুপ্রিম কোর্টে ঝুলছে ভাগ্য! সদস্যপদ নিয়ে রয়েছে জটিলতা। এরমধ্যেই জাতীয় কমিটি গঠন করল ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া বা এনসিপিআই। যেখানে নাম রয়েছে তৃণমূলের সাতজন বিদ্রোহী সাংসদের। তবে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রকাশিত তালিকায় নাম নেই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাকলি ঘোষ দস্তিদারের। এমনকী নাম নেই শতাব্দী রায়েরও। আর তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর চর্চা।

এনসিপিআই সভাপতি জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এই দলের নিয়ম রয়েছে এক ব্যক্তি, এক পদ। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা সংসদীয় কমিটিতে রয়েছে। দলের নেতা, মুখ্য সচেতক হিসাবে রয়েছেন। তবে জাতীয় বর্ধিত কমিটিতে তাঁরা থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া ২০ সাংসদের সাংসদ পদ কেন বাতিল হবে না। এই প্রশ্নের জবাব দিতে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আরও খানিকটা সময় চেয়েছেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা। আরও চার সপ্তাহ চেয়ে লোকসভার সচিবালয়ে চিঠি দিয়েছেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। যা নিয়ে শুরু হয়েছে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। শুরু তাই নয়, সংসদে এখনও এনসিপিআইকে আলাদা দল হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। যদিও এনডিএকে সমর্থন করেছেন এনসিপিআইতে যোগ দেওয়া সাংসদরা। এরমধ্যেই জাতীয় কমিটি ঘোষণা করা হল। যেখানে সহ-সভাপতি হিসাবে নাম রয়েছে আবু তাহের খান, দেব, ইউসুফ পাঠান, জগদীশ বাসুনিয়া, রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সাধারণ সম্পাদক হিসাবে নাম রয়েছে মিতালি বাগ এবং বাপি হালদারের।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অন্যদিকে যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, সেখানে দলের সভাপতি হিসাবে নাম রয়েছে জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে নয়া এই কমিটিতে জায়গা পাননি কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শতাব্দী রায়। বিশেষ করে রাজ্যে পালাবদলের পরেই তৃণমূল ভেঙে খান-খান হয়ে যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ছেড়ে ‘আসল’ তৃণমূলের ঘোষণা করেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকী দলের সাংসদরাও একে একে দলনেত্রীর সঙ্গ ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। দফায় দফায় দিল্লিতে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকের পর যোগ দেন এনসিপিআইতে। দলের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়রা। গত কয়েকমাসে তাঁদের একাধিকবার কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আবার কখনও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। পৃথক দলের স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন। সেই সুদীপ এবং কাকলি কেউ ঠাই পেলেন না নয়া কমিটিতে?

যদি এক্ষেত্রে এনসিপিআই সভাপতি জ্যোতিপ্রকাশ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, এই দলের নিয়ম রয়েছে এক ব্যক্তি, এক পদ। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা কাকলি ঘোষ দস্তিদাররা সংসদীয় কমিটিতে রয়েছে। দলের নেতা, মুখ্য সচেতক হিসাবে রয়েছেন। তবে জাতীয় বর্ধিত কমিটিতে তাঁরা থাকবেন বলে জানানো হয়েছে। তবে এই বিষয়ে তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়েছেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, ”বিজেপি এদের যতই মদত দিক, রাজনৈতিক কেরিয়ার একেবারে শেষ।” এমনকী গদ্দার বলেও তোপ দাগেন বিধায়ক। তাঁর কথায়, মানুষ এঁদের বিশ্বাস করেননা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.