Ritabrata Banerjee

অপরাধ ঢাকতে খুন করা হয়নি তো অভিষেকের পিএকে? দীর্ঘদিন ধরে ‘উধাও’ সুমিতকে নিয়ে আশঙ্কা ঋতব্রতর

ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট ব্যবহার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেশ থেকে পালাতে পারেন বলেও আশঙ্কা ঋতব্রতর। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৫:২৫

options
link
অপরাধ ঢাকতে খুন করা হয়নি তো অভিষেকের পিএকে? দীর্ঘদিন ধরে ‘উধাও’ সুমিতকে নিয়ে আশঙ্কা ঋতব্রতর
অপরাধ ঢাকতে খুন করা হয়নি তো অভিষেকের পিএকে? দীর্ঘদিন ধরে 'উধাও' সুমিতকে নিয়ে আশঙ্কা ঋতব্রতর

দীর্ঘদিন ধরে বেপাত্তা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিএ সুমিত রায় (Sumit Roy)। হদিশ না পেয়ে এক পর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়কে নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন ‘আসল’ তৃণমূলের বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় (Ritabrata Banerjee)। বললেন, “উলুবেরিয়ায় অনেকক্ষণ ছিলাম। নিচের তলার কর্মীরা বললেন, আচ্ছা খুন হয়ে যায়নি তো সুমিত? আসলে ও খুন হলে অনেক কিছু ধামাচাপা পড়ে যাবে।” পাশাপাশি ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট ব্যবহার করে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেশ থেকে পালাতে পারেন বলেও আশঙ্কা ঋতব্রতর। 

Advertisement

অভিষেক দেশ থেকে পালাতেই পারেন, এই আশঙ্কা প্রকাশ করে ঋতব্রত বলেন, “আমাদের পাসপোর্টের রঙ নীল। এমপি থাকাকালীন লাল ছিল। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট নিয়ে যে দেশের সঙ্গে বন্দি প্রত্যার্পণ চুক্তি নেই, সেখানে গিয়ে পাসপোর্ট সারেন্ডার করে আশ্রয় চাইতে পারেন। চোখ দেখানোর নাম করে পালিয়ে যেতে পারেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়।”

মেদিনীপুরের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক, এই মুহূর্তে জেলবন্দি সুজয় হাজরাকে গ্রেপ্তারের পরই উঠে আসে সুমিতের নাম। অভিযোগ, ছাব্বিশের ভোটে টিকিট পাইয়ে দেওয়ার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় করেছে। এ ছাড়া শালবনিতে একটি জমি দুর্নীতি মামলাতেও অভিযুক্ত হিসেবে নাম রয়েছে সুমিতের। এ সব অভিযোগ পেয়ে মাসখানেক আগে সুমিতের খোঁজে শালবনি থানার পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছয়। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালিয়েও সুমিতকে পাওয়া যায়নি। সেই থেকে বেপাত্তা সুমিত। পরবর্তীকালে পুলিশের আবেদনে মেদিনীপুর আদালত সুমিতের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি ও লুক আউট নোটিস জারি করা হয়। এরপরই হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন সুমিতের আইনজীবী। গতকাল অর্থাৎ সোমবার ডেবরার ঘটনায় আগাম জামিন মিলেছে সুমিত রায়ের। তবে শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় রেহাই পাননি তিনি। ১০ দিনের মধ্যে তাঁকে তদন্তকারীদের সঙ্গে দেখা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

Advertisement

এই পরিস্থিতিতে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,  সুমিত রায় খুন হয়ে যাননি তো? তাঁর কথায়, “হাইকোর্ট বলেছে একটা কেসে জামিন খারিজ। অন্য কেসে জামিন হয়েছে কিন্তু দশ দিনের মধ্যে হাজিরা দিতে হবে। তবে  সুমিতের ধরা পড়া জরুরি। কারণ খুন হয়ে গেলে অনেক কিছু ঢাকা পড়ে যাবে।” এদিন অভিষেককেও এক হাত নেন ঋতব্রত। তাঁর দেশ থেকে পালানোর আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের পাসপোর্টের রঙ নীল। এমপি থাকাকালীন লাল ছিল। ডিপ্লোম্যাটিক পাসপোর্ট নিয়ে যে দেশের সঙ্গে বন্দি প্রত্যার্পণ চুক্তি নেই, সেখানে গিয়ে পাসপোর্ট সারেন্ডার করে আশ্রয় চাইতে পারেন। চোখ দেখানোর নাম করে পালিয়ে যেতে পারেন অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.