Shamik Bhattacharya hits back over Bageshwar Baba

‘নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খাবেই’, দুর্গাপুজোয় বাগেশ্বর বাবার আমিষ-বিতর্কে পালটা শমীকের

বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বহিরাগত কোনও সাধুর পরামর্শে বাঙালির সংস্কৃতি বা খাদাভ্যাস বদলে যাবে না।

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৬, ১৬:১৪

options
link
‘নবমীতে বাঙালি পাঁঠার মাংস খাবেই’, দুর্গাপুজোয় বাগেশ্বর বাবার আমিষ-বিতর্কে পালটা শমীকের
আমিষ-বিতর্কে সাফ বার্তা শমীকের।

দুর্গাপুজোর আগে বঙ্গে পা রেখেই নতুন করে করে আমিষ বিতর্কে উসকে দেন স্বঘোষিত ধর্মগুরু বাগেশ্বর বাবা। নিজের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, দুর্গাপুজোয় যাঁরা আমিষ খান, তাঁরা ‘পাখণ্ডী’ বা ভেকধারী বা ভণ্ড। পুজোর সময় আমিষ ত্যাগেরও নিদানও দিয়েছেন তিনি। আর যা ঘিরে পুজোর মুখে দানা বেধেছে বিতর্ক। যদিও ধর্মগুরুর এই নিদানকে আমল দিতে নারাজ বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়ে দেন, বহিরাগত কোনও সাধুর পরামর্শে বাঙালির সংস্কৃতি বা খাদাভ্যাস বদলে যাবে না।

Advertisement

শমীকের বক্তব্য, “বাঙালি যা খাচ্ছে, তাই খাবে। বাঙালি হয়ে মাছ খাবে না? মাংস খাবে না? আপনি আপনার বাড়িতে কী খাবেন, সেটা কোনও সাধু নির্ধারিত করে দেবে? কোনও রাজনৈতিক দল ঠিক করে দেবে?”

বাগেশ্বর বাবার মন্ত্যব্যের পরিপ্রেক্ষিতে শমীকের বক্তব্য, “বাঙালি যা খাচ্ছে, তাই খাবে। বাঙালি হয়ে মাছ খাবে না? মাংস খাবে না? আপনি আপনার বাড়িতে কী খাবেন, সেটা কোনও সাধু নির্ধারিত করে দেবে? কোনও রাজনৈতিক দল ঠিক করে দেবে?” তাঁর কথায়, “কাউকে নিরামিষাষী হওয়ার উপদেশ দেওয়ার মধ্যে কোনও অন্যায় নেই, পাপ নেই। এখন তো নিরামিষ ভোজনের জন্য রীতিমতো প্রচার চলছে। শুধু বিজেপি কেন? স্বামী বিবেকানন্দ বলে গিয়েছেন, তাঁর উপরে কে আছে? মা কালী এখানে পাঁঠা খাবে। এখনও পর্যন্ত বিবেকানন্দের উপরে কেউ উঠতে পারেননি। যদি হঠাৎ কেউ তাঁর উপরে উঠতে চাল, তাহলে তা বিপজ্জনক।”

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পুজোর আমিষ খাওয়ার নিদানে শমীকের সাফ বার্তা, “বাঙালি অষ্টমীতে লুচি আর নবমীর দিন কচি পাঁঠার মাংস খাবে। এটাই বাঙালির রীতি। আর তা বাঙালি পালন করবেই।”

পুজোর আমিষ খাওয়ার নিদানে শমীকের সাফ বার্তা, “বাঙালি অষ্টমীতে লুচি আর নবমীর দিন কচি পাঁঠার মাংস খাবে। এটাই বাঙালির রীতি। আর তা বাঙালি পালন করবেই।” তাঁর দাবি, কোনও চিকিৎসক পরামর্শ দিতেই পারেন। সন্তদের এই উপদেশ দেওয়ার অধিকার থাকতে পারে, কিন্তু বাংলায় বসে কে কী খাবে, কে কী পরবে, তা বাইরে থেকে এসে কেউ ঠিক করে দেবে না। বাগেশ্বর বাবা অরফে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই শমীক জানান, স্বামী বিবেকানন্দের উপরে অন্য কোনও মত চাপিয়ে দেওয়া যায় না। সাধারণ আমিষ ভোজীদের ‘পাখাণ্ডী’ বলায় বিজেপি রাজ্য সভাপতির স্পষ্ট বার্তা, উনি যা বলেছেন, তা নিয়ে বিতর্কের কোনও প্রয়োজন নেই। বাঙালি যা খাওয়ার, তাই খাবেন। আমাকে আমার মতো থাকতে দাও।

Advertisement
দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.