SSC

জেলে বসে এসএসসির পরীক্ষায় বসেও ‘অনুপস্থিত’! হাই কোর্টে চাকরিপ্রার্থী

এসএসসি ফল প্রকাশের পরেও জট!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৯, ২০২৫, ১৩:১৩

options
link
জেলে বসে এসএসসির পরীক্ষায় বসেও ‘অনুপস্থিত’! হাই কোর্টে চাকরিপ্রার্থী

গোবিন্দ রায়: এসএসসি ফল প্রকাশের পরেও জট! পরীক্ষায় বসেও এসএসসির ফলপ্রকাশে ‘অনুপস্থিত’ আব্দুল সাত্তার। এই নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন ওই চাকরিপ্রার্থী। আগামিকাল সোমবারই এবিষয়ে বিচারপতি অমৃতা সিনহার দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন তাঁর আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। আইনজীবীর প্রশ্ন, হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় বসেন আব্দুল। কিন্তু যখন ফলপ্রকাশ হয় দেখা যায় তিনি অনুপস্থিত! আর এখানেই আইনজীবীর প্রশ্ন, তাহলে পরীক্ষা বসল কে? এক্ষেত্রে স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী।

Advertisement

বোলপুর সংশোধনাগারে বিচারাধীন রয়েছেন আব্দুল সাত্তার। কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার নির্দেশে এবার স্কুল সার্ভিস কমিশনের নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় বসেন আব্দুল। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানান, ”পরীক্ষার পর হাই কোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে রাজ্য জানায়, তাঁর উত্তরপত্রগুলি নির্দিষ্ট লক নম্বর-সহ পাঠানো হয়েছে।” এমনকী নির্দিষ্ট জায়গাতেই উত্তরপত্র আছে বলেও শুনানিতে রাজ্যের তরফে আইনজীবী আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু সম্প্রতি যে ফলাফল প্রকাশ হয়েছে সেখানে আব্দুল সাত্তারকে লিখিত পরীক্ষায় অনুপস্থিত দেখানো হয়েছে বলে দাবি আইনজীবীর।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

আর এখানেই স্কুল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনজীবী ফিরদৌস শামিম। তাঁর দাবি, একজন হাই কোর্টের নির্দেশে জেলে বসে পরীক্ষা দিলেন। কিন্তু কীভাবে এসএসসি পরীক্ষা নিল তা এই ঘটনায় স্পষ্ট বলেও দাবি হাই কোর্টের এই আইনজীবী।

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, গত ১৪ সেপ্টেম্বর রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলিতে একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য পরীক্ষা নিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন। পরীক্ষার ৫৪ দিনের মাথায় সেই ফল প্রকাশিত হয়। এবছর রাজ্যের উচ্চমাধ্যমিক স্তর অর্থাৎ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষকের শূন্যপদ মোট ১২ হাজার ৫১৪ জনের। আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৩ জন।

ফল বেরলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ার ভবিষ্যত ঝুলে রয়েছে অভিজ্ঞতার নিরিখে অতিরিক্ত নম্বর দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলে দায়ের হওয়া মামলার ইস্যুতে। ওই মামলার ফয়সালা না হওয়া পর্যন্ত নিয়োগ পর্ব শুরু করা যাবে না, এমনই নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিচারপতি সিনহা জানান, পরীক্ষার ফল বেরলেও তার ভবিষ্যত নির্ভর করবে ওই মামলার ফলাফলের ওপর। আগামী ১২ নভেম্বর তার পরবর্তী শুনানি। এরমধ্যেই ফের জটিলতা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.