CBSE

সিবিএসইকে টক্কর, সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় দাপট দেখাবে বঙ্গের পড়ুয়ারাও! বড় পদক্ষেপ রাজ্যের

এবিষয়ে স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ জানান, আগামীদিনের জন্য উপযোগী করে রাজ্যের পড়ুয়াদের গড়ে তুলতে নয়া শিক্ষা পদ্ধতি ও সিলেবাসের প্রয়োজন রয়েছে।

গৌতম ব্রহ্ম
গৌতম ব্রহ্ম

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২৬, ১৯:১৯

options
link
সিবিএসইকে টক্কর, সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় দাপট দেখাবে বঙ্গের পড়ুয়ারাও! বড় পদক্ষেপ রাজ্যের
ফাইল ছবি।

উচ্চশিক্ষা ও সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় অনেক ক্ষেত্রেই মার খান রাজ্য বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা। সিবিএসই-আইসিএসই-র পড়ুয়াদের সঙ্গে পেড়ে ওঠেন না রাজ্য বোর্ডের পড়ুয়ারা। এই সমস্যার সমাধান করতে উদ্যোগী হল রাজ্য সরকার। এবিষয়ে স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মণ জানান, আগামীদিনের জন্য উপযোগী করে রাজ্যের পড়ুয়াদের গড়ে তুলতে নয়া শিক্ষা পদ্ধতি ও সিলেবাসের প্রয়োজন রয়েছে। এই বিষয়ে আলোচনার জন্য নতুন একটি সিলেবাস কমিটি তৈরি করা হয়েছে। এই কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন অধ্যাপক দেবাশিস চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও থাকবেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের শিক্ষাবিদরা। নতুন কারিকুলাম জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হবে।

Advertisement

স্কুল শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে সিলেবাসে বা শিক্ষা পদ্ধতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে না। বর্তমানে যে সিলেবাস রয়েছে, তা শুধুমাত্র পর্যালোচনা করে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত কিছু সংশোধন করা হবে। সরকারি বই আগের মতোই ছাত্রছাত্রীদের দেওয়া হবে এবং নতুন কোনও বই আপাতত যুক্ত করা হচ্ছে না। তবে ২০২৮ শিক্ষাবর্ষ থেকে সম্পূর্ণ নতুন কারিকুলাম চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। সেই কারিকুলাম জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০-র সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হবে। প্রয়োজনে তারা আরও বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে পারবেন। ভবিষ্যতে কমিটিতে আরও সদস্য অন্তর্ভুক্ত করারও সুযোগ রয়েছে।

Advertisement

এনইপি ২০২০ অনুযায়ী সিবিএসই-র মতো বছরে দু’বার বোর্ড পরীক্ষার ব্যবস্থা চালু হতে পারে কি না, সেই প্রশ্নে দীপক বর্মণ বলেন, “ভালো কোনও বিষয় থাকলে আমরা গ্রহণ করব, খারাপ মনে হলে বাদ দেব। কোনও ইগো বা ট্যাবুতে আমরা ভুগি না।” তিনি আরও জানান, ২০২৭ সালের বই সময়মতো ছাত্রছাত্রীদের হাতে পৌঁছে দেওয়াই এখন সরকারের অগ্রাধিকার। সেই কারণে দ্রুত সুপারিশ জমা দিতে সিলেবাস কমিটিকে অনুরোধ করা হয়েছে। লক্ষ্য, আগামী ২ জানুয়ারি ‘বই দিবস’-এর আগেই সমস্ত স্কুলে বই পৌঁছে দেওয়া। সর্বভারতীয় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাজ্যের ছাত্রছাত্রীরা যাতে পিছিয়ে না পড়ে, নতুন সিলেবাস তৈরির সময় সেই বিষয়টিও গুরুত্ব পাবে বলে আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী।

Advertisement

তিনি জানান, ২০২৮ সালের নতুন কারিকুলামের খসড়া তৈরি হওয়ার পর সেটি জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে। শিক্ষক সংগঠন, ছাত্র সংগঠন, শিক্ষাবিদ, বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন-সহ সকলের মতামত নেওয়া হবে। সেই মতামত পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রী বলেন, “সিলেবাস কমিটির উপরে কোনও প্রকারের রাজনৈতিক চাপ বা মন্ত্রকের চাপ নেই। তারা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে তাদের মতামত দিতে পারবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.