অর্ণব আইচ: বেআইনি অস্ত্র কারখানার হদিশ! পড়শি রাজ্য ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার বিপুল পরিমাণে বন্দুক, কার্তুজ, আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম। ঝাড়খণ্ড এসটিএফ, স্থানীয় থানার সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশ ও এসটিএফ। অভিযান চালিয়ে বাড়ির মালিক-সহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশের কাছে গোপনসূত্রে খবর আসে, বাংলা ঘেঁষা গ্রাম ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের মহুদা গ্রামের একটি বাড়িতে বেআইনি অস্ত্র কারখানা চলছে। সূত্রের সেই খবর পেয়ে কলকাতা পুলিশ ও এসটিএফের দল রওনা দেয় ধানবাদে। সেখানকার পুলিশ ও ঝাড়খণ্ড পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে চলে যৌথ অভিযান। সেই অভিযানে মুর্শিদ আনসারি নামে ওই কারখানার অন্যতম মালিককে গ্রেপ্তার করা হয়। সঙ্গে আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বেআইনি অস্ত্র কারখানা থেকে ৪টি ৭.৬৫ মিমি ইম্প্রোভাইসড আগ্নেয়াস্ত্র। ১০টি ৭.৬৫ মিমি সেমিফিনিশড আগ্নেয়াস্ত্র। ৭টি ম্যাগনেস। ২২টি সেমিফিনিশড ম্যাগাজিন। ৯টি রাউন্ড ৭.৬৫ মিমি কার্তুজ। ৭টি ভাইস। ২টি ড্রিল মেশিন। ১টি গ্রাইন্ডিং পলিশিং মেশিন। বিপুল সংখ্যক রিকোইলিং স্প্রিং। বিপুল ম্যাগাজিন স্প্রিং। প্রচুর লোহার বার। সেমিফিনিশড আগ্নেয়াস্ত্রকে ফিনিশড আগ্নেয়াস্ত্র করাবার জন্য বিপুল পরিমাণে কাঁচামাল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার হয়েছেন ধানবাদের বাসিন্দা ওই বেআইনি অস্ত্র কারখানার অন্যতম মালিক মুর্শিদ আনসারি(৪৭)। অভিযোগ আনসারির বাড়িতেই বেআইনি কাজ চলছিল। এছাড়াও ঘটনাস্থল থেকে মহম্মদ সাব্বির, মহম্মদ মুস্তফা, মহম্মদ মিস্টার, মহম্মদ পারভেজ নামে অস্ত্র প্রস্তুতকারি চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের আদালতে তোলা হয়েছে। এই বেআইনি অস্ত্র কারবারের সঙ্গে আরও কেউ যুক্ত আছে কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধেও চুনকাম! ১০৫০ দিন পর সিরিজ হার ভারতের, কেন খেলানো হল না বৈভবকে?
-
‘তোলাবাজি’র অর্থে মেয়ে-স্বামীর নামে সম্পত্তি, নির্বাচনী হলফনামায় তথ্য গোপন! তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ
-
অস্ট্রেলিয়ার কাছে হেরে গ্রুপ থেকে বিদায়, বিশ্বকাপে স্বপ্নভঙ্গ ভারতের মেয়েদের
-
জুলাই গণহত্যা মামলায় ঢাকার প্রাক্তন কমিশনার-সহ ৩ পুলিশকর্মীর মৃত্যুদণ্ড
-
৭ মাস পর খুলছে কাঁকিনাড়া জুটমিল, শিল্পের পুনর্জাগরণে খুশি ৩০০০ শ্রমিক