Suvendu Adhikari

‘মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীরে যাবেন না’, বাঙালি পর্যটকদের নিদান শুভেন্দুর, তুঙ্গে বিতর্ক

তাঁর এই বক্তব্যের পর বিতর্কের ঝড় উঠেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০২৫, ১০:২৭

options
link
‘মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীরে যাবেন না’, বাঙালি পর্যটকদের নিদান শুভেন্দুর, তুঙ্গে বিতর্ক

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কোনও বাঙালি কাশ্মীর যাবেন না। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় যাবেন না। এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পর্যটকদের কাশ্মীর যাওয়ার জন্য উৎসাহিত করছেন। আহ্বান জানাচ্ছেন। সেখানে তাঁর দলেরই বাংলার নেতা বলছেন ওই রাজ্যে যাবেন না। যা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক।

Advertisement

পহেলগাঁও কাণ্ডের পর কাশ্মীরে নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে ‘ভীতি’ তৈরি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি সেই  ‘ভয়’ দূর করতে উদ্যোগী। কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা নিজে সবাইকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। সমস্ত বাঙালিকে তিনি ভূস্বর্গে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তাতে সাড়া দিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই রাজ্যে যেতে পারেন বলে খবর। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই আবহে বিজেপি নেতা তথা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর অবস্থান ভিন্ন মেরুতে। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “কোনও বাঙালি কাশ্মীর যাবেন না। যেখানে মুসলিম জনসংখ্যা বেশি সেখানে যাবেন না।” তিনি আরও যোগ করেন,” একজন বিধায়ক নয়, সচেতন নাগরিক হিসাবে বলছি, কাশ্মীরের বদলে জম্মু যান। হিমাচল প্রদেশে যান। উত্তরাখণ্ডে যান। ওড়িশা যান। প্রাণ আগে। সন্তানদের জীবন বাঁচান। নিজের জীবনরক্ষা করুন। মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় যাবেন না।” পহলেগাঁও জঙ্গি হানায় প্রাণ হারিয়েছেন বাংলার বিতান অধিকারী ও সমীর গুহ। শুভেন্দুর বক্তব্য, আমি বিমানন্দরে ওদের চোখের জল দেখেছি। সবাইকে বারণ করছি মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় যাবেন না।

Advertisement

তাঁর এই বক্তব্যের পর বিতর্কের ঝড় উঠেছে। তিনি কী করে পুরো মুসলিম সম্প্রদায়কে দাগিয়ে দিতে পারেন? একজন জনপ্রতিনিধি এই কথা বলতে পারেন? উঠছে সেই প্রশ্নও। যেখানে তাঁর দলেরই সর্বোচ্চ নেতৃত্ব কাশ্মীরে যেতে পর্যটকদের উৎসাহ দিচ্ছেন। উদ্যোগী হয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তারপরই শুভেন্দুর বিপরীত মেরুতে অবস্থান নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে।  কাশ্মীরের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বলা ভালো অমিত শাহের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক গোটা দায়িত্বে। এই বক্তব্যের প্রশ্ন, তাহলে কি শুভেন্দু , প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপরেও আস্থা রাখতে পারছেন না?

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার নবান্নে এসে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে পহেলগাঁও কাণ্ডের জন্য আতঙ্কিত না হয়ে বাংলার পর্যটকদের আরও বেশি করে কাশ্মীরমুখী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। ওমর আবদুল্লার পাশে দাঁড়িয়েই রাজ্যবাসীকে কাশ্মীরে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। বলেন, “ওঁরা নিরাপত্তা দেবে।” মুখ্যমন্ত্রী সেই রাজ্যে যেতে পারেন বলে খবর। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন