তারাতলা বিভীষিকা
Taratala Accident

তারাতলার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আত্মীয়কে ফোন, উদ্ধারেও হল না শেষ রক্ষা! মৃত্যু সেই মন্নুর

১৪ ঘণ্টা আটকে থাকার পর ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আত্নীয়কে ফোন করেছিলেন মন্নু।

Advertisement
রমেন দাস
রমেন দাস

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ১৩:১৫

options
link
তারাতলার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আত্মীয়কে ফোন, উদ্ধারেও হল না শেষ রক্ষা! মৃত্যু সেই মন্নুর

১৪ ঘণ্টা তারাতলার ধ্বংসস্তূপের (Taratala Accident) নিচে আটকে থাকার পর বুদ্ধি করে আত্মীয়কে ফোন করেছিলেন যুবক। এরপর শুরু অন্য লড়াই। মোবাইল ফোন ট্র্যাক করে বেশ কয়েকঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছিল মন্নু কুমারকে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। বৃহস্পতিবার রাত ১১ টা নাগাদ হাসপাতালেই মৃত্যু হল যুবকের। একই পরিবারের আরও ৩ সদস্য ভর্তি হাসপাতালে। 

Advertisement

বিহারের মুঙ্গেরের বাসিন্দা মন্নু কুমার। পরিবারের ৬ জন সদস্য শ্রমিকের কাজে এসেছিলেন কলকাতায়। তাঁরা সকলেই কাজ করছিলেন তারাতলার অভিশপ্ত গোডাউনে। বুধবার দুপুর ১২ টা বেজে ৭ মিনিট নাগাদ  হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ভবনটি।  বুধবারই মৃত্যু হয় পরিবারের একসদস্যের। তিনজনকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। শিরচাঁদ কুমার ও মন্নুর হদিশ মিলছিল না। আচমকা বুধবার রাত প্রায় দেড়টা নাগাদ পরিবারের সদস্য সন্তোষকে ফোন করেন মন্নু। সেই সময় তিনি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে। ফোন রিসিভ করার পর সন্তোষ বুঝতে পারেন, মন্নু আটকে ধ্বংসস্তূপের নিচে। যুবক শুধু ফোনে বলেছিলেন, “আমাকে বাঁচা।” সঙ্গে সঙ্গে লোকেশন পাঠানোর কথা বলেন সন্তোষ। যদিও তা দিতে পারেননি মন্নু। 

Advertisement

এরপর সন্তোষ ঘটনাস্থলে থাকা একজনকে জানান পুরো বিষয়টা। সে পুলিশকে জানাতেই মন্নুর মোবাইল ট্র্যাক করা হয়। বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা নাগাদ উদ্ধার করা হয় যুবককে। সঙ্গে সঙ্গে ভর্তি করা হয় এসএসকেএমে। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। রাত ১১ টা নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। জানা যাচ্ছে,  মন্নুর পরিবারের সদস্য ঘি কুমারের দেহ ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে বিহারের বাড়িতে। তিন সদস্য ভর্তি হাসপাতালে। ময়নাতদন্তের পর মন্নুর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। এক সদস্যের হদিশ এখনও মেলেনি। উল্লেখ্য, শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী তারাতলা বিপর্যয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৫। আহত ৩৩ জন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.