CM Suvendu Adhikari

আসছে অত্যাধুনিক যন্ত্র, দক্ষ উদ্ধারকারী! তারাতলার ‘ত্রাতা’দের সম্মানিত করে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শনিবার আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে তারাতলার উদ্ধারকারীদের সম্মানিত করে একাধিক ঘোষণা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২৬, ১৭:২০

options
link
আসছে অত্যাধুনিক যন্ত্র, দক্ষ উদ্ধারকারী! তারাতলার ‘ত্রাতা’দের সম্মানিত করে ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
তারাতলার 'ত্রাতা'দের সম্মানিত করে উদ্ধারকাজের পরিকাঠামো উন্নতির প্রতিশ্রুতি মুখ্যমন্ত্রীর, ছবি: ফেসবুক

নির্মীয়মাণ বাণিজ্যিক ভবন ভাঙার ‘অভিশাপ’ ধীরে ধীরে কাটিয়ে উঠছে তারাতলা। সপ্তাহ দুই আগেকার সেই বিপর্যয়ে ১৬ জনের মৃত্যু হলেও প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন অনেকে। এর নেপথ্যে সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব একাধিক বিভাগের সমন্বয়ে তৈরি উদ্ধারকারীদের। বিপর্যয় মোকাবিলা দল, পুলিশ, দমকল, সেনাবাহিনী এবং সর্বোপরি স্থানীয় বাসিন্দা মিলে যেভাবে সেদিন প্রাণ বাঁচাতে ঝাঁপিয়েছিলেন, তা স্মরণীয়। তাঁদের সেই কৃতিত্বকে কুর্নিশ জানিয়ে শনিবার সম্মানিত করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। শনিবার আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সের পুলিশের এক অনুষ্ঠানে সকলের হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেওয়া হয়। রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থার দুর্বলতা স্বীকার করে নেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে প্রতিশ্রুতি দেন, অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল তৈরিতে অর্থ খরচ করবে রাজ্য সরকার।

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগেও কলকাতায় বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সব দপ্তর, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি একসঙ্গে এইভাবে কাজ করেছে, এমনটা আগে দেখা যায়নি। আমি কথা দিচ্ছি, আগামী এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং প্রশিক্ষিত বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী গড়ে তোলা হবে।”

শনিবার ১৬০জন সিভিল ডিফেন্স, ১২০ জন বিপর্যয় মোকাবিলা দল, ৯০ জন রেলকর্মী, ৭৫ জন ট্রাফিক পুলিশের কর্মী-সহ গোটা উদ্ধারকারী দলের হাতেই শংসাপত্র তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। পুলিশ ও সেনাকর্মীদের সঙ্গে হাসিমুখে কথাও বলতে দেখা যায় তাঁকে। যে স্থানীয় মানুষজন উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছিলেন, তাঁদের আলাদা করে ধন্যবাদজ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তারাতলা বিপর্যয়ের দ্রুত মোকাবিলা করা সম্ভব হলেও এ রাজ্যে যে উদ্ধারের পরিকাঠামো দুর্বল, তা স্বীকার করে আরও উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেন শুভেন্দু। বিশেষ করে প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং সরঞ্জামের ক্ষেত্রে আরও উন্নতির প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “আগেও কলকাতায় বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু সব দপ্তর, রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলি একসঙ্গে এইভাবে কাজ করেছে, এমনটা আগে দেখা যায়নি। আমি কথা দিচ্ছি, আগামী এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ আধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন এবং প্রশিক্ষিত বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী গড়ে তোলা হবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তারাতলায় ওইদিন তাসের ঘরের মতো বিল্ডিং ভেঙে পড়ার পর সবচেয়ে আগে ধ্বংসস্তূপ থেকে মানুষজনকে বাঁচাতে ছুটে এসেছিলেন স্থানীয় কয়েকজন। তাঁরাই দমকল, পুলিশে খবর দেন। এই সাধারণের মাঝে অসাধারণ হয়ে ওঠা মানুষদের প্রতি আলাদা করে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “তারাতলায় ওইদিন সবার প্রথম উদ্ধারকাজ শুরু করেছিলেন ওখানকার কয়েকজন যুবক। তাঁরা সবাই সাধারণ মানুষ, কমন পিপল। আমি তাঁদের কুর্নিশ জানাই। একদিন চেষ্টা করব, তাঁদের সঙ্গে গিয়ে দেখা করে ধন্যবাদ জানানোর।”

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.