Ritabrata Banerjee

এই চেয়ার মমতার! শুনেই লাফিয়ে উঠলেন ঋতব্রত, বললেন, ‘সূর্যকান্তেরটা আনুন’

চেয়ার নিয়ে যতই টানাপোড়েন হোক না কেন, বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভালো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খারাপ। তিনি উল্লেখ করেছেন, অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার তৃণমূলের যে পরিষদীয় দল তার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে চাইলে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: জুন ৩, ২০২৬, ২০:০৩

options
link
এই চেয়ার মমতার! শুনেই লাফিয়ে উঠলেন ঋতব্রত, বললেন, ‘সূর্যকান্তেরটা আনুন’
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেয়ারে বসতে আপত্তি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিদ্রোহী বিধায়কদের নিয়ে তখন বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়রা। সচিবের সম্মতিতে হাতে তুলে দেওয়া হয় বিরোধী দলনেতার ঘরের চাবি। ৫৮ জন বিধায়ককে পথ দেখিয়ে ওই ঘরে ঢোকেন বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত। ওই ঘরে থাকা চেয়ারে বসলেন। তবে ওই চেয়ার যে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। শোনামাত্রই তড়িৎ গতিতে লাফ! ওই চেয়ারে বসতে সাফ নাকচ করেন তিনি। তার বদলে সূর্যকান্ত মিশ্রের চেয়ার আনার ‘আবদার’ও করেন। সেই চেয়ার অবশ্য আনা যায়নি। তবে বিকল্প বন্দোবস্ত করে দেওয়া হয়েছে তাঁকে। একদা সিপিএম নেতার এই বক্তব্য নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই চর্চা শুরু হয়।

Advertisement
Ritabrata-Chair
প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেয়ারে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজস্ব চিত্র

চেয়ার নিয়ে যতই টানাপোড়েন হোক না কেন, বুধবারের সাংবাদিক বৈঠকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার বুঝিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভালো। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় খারাপ। তিনি উল্লেখ করেছেন, অষ্টাদশ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার তৃণমূলের যে পরিষদীয় দল তার সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে চাইলে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরামর্শদাতার ভূমিকা পালন করতে পারেন। তাঁর পরামর্শ অনুযায়ী চলতে পারে ‘আসল তৃণমূল’। মমতার কাছে আর্জি জানাবেন বলেও জানিয়েছেন ঋতব্রত।

Advertisement

প্রসঙ্গত, গত ৪ মে ছাব্বিশের ভোটের ফলপ্রকাশ হয়। গেরুয়া ঝড়ের দাপটে নুইয়ে পড়ে ঘাসফুল। দলে যে চোরস্রোত বইতে পারে, তা টের পেয়েছিলেন তৃণমূলনেত্রী। বারবার সাংবাদিক বৈঠকে বলেছেন, দলত্যাগের ইচ্ছা থাকলে করতেই পারেন। তবে দল যে ভেঙেচুরে চুরমার হয়ে যাবে কিংবা ভোটের ফলপ্রকাশের মাসখানেকের মাথায় ‘আসল তৃণমূলে’ নাম লেখাবেন একের পর এক বিদ্রোহী বিধায়ক, তা বোধহয় স্বপ্নেও ভাবেননি। বাস্তবে অবশ্য ঘটল তাই। এবার তৃণমূলের পরিষদীয় দলের ‘আসল মালিকানা’ পেলেন ঋতব্রত ও তাঁর সঙ্গী বিধায়করা। সাংবাদিক বৈঠক করে ঋতব্রত বললেন, “আজ থেকে বিরোধী দল হিসেবে আমাদের যাত্রা শুরু।” যদিও মমতা বা আদি তৃণমূলের মনোনীয় বিরোধী দলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলনেত্রীর পাশে মানুষ রয়েছেন।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.