TMC Councillor Sushanta Ghosh

বরো চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা সুশান্ত ঘোষের, ভাঙন বেড়েই চলেছে কলকাতা পুরসভায়

আরেক কাউন্সিলর তথা তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীও অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

Advertisement
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৬, ১৫:০৮

options
link
বরো চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা সুশান্ত ঘোষের, ভাঙন বেড়েই চলেছে কলকাতা পুরসভায়
সুশান্ত ঘোষ। ফাইল ছবি।

ভাঙন ক্রমশই চওড়া হচ্ছে কলকাতা পুরসভায়। এবার বরো চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ (TMC Councillor Sushanta Ghosh)। বুধবার তিনি নিজের ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন বলে খবর। তবে ১০৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে রাজি তিনি। ছাব্বিশের ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয়ের পর ৯ নং বরোর চেয়ারপার্সন হিসেবে পদত্যাগ করেছিলেন দেবলীনা বিশ্বাস।এরপর ১২নং বরোর চেয়ারম্যান পদ থেকে ইস্তফা সুশান্ত ঘোষের। তবে কাউন্সিলর হিসেবে আপাতত কাজ চালিয়ে যেতে রাজি তিনি। কী কারণে এমন সিদ্ধান্ত, সে বিষয়ে অবশ্য কিছু জানাননি সুশান্ত ঘোষ। আরেক কাউন্সিলর তথা তৃণমূলের অন্যতম মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীও অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন।

Advertisement

কসবার ১০৮ নং দাপুটে তৃণমূল নেতা সুশান্ত ঘোষ। কসবা রাজডাঙা উদয়ন সংঘের পুজোর মূল পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তাঁর অধিক জনপ্রিয়তা। বছর দুই আগে বাড়ির সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ বাইক চড়ে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। সেবার প্রাণরক্ষা হলেও কাউন্সিলরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। সেসময় শাসকদলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রাজনীতি করার কারণে তিনি টার্গেট হয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। এও বলেছিলেন, রাজনীতি আর করবেন কি না, তা ভাববেন।

কসবার ১০৮ নং দাপুটে তৃণমূল নেতা সুশান্ত ঘোষ। কসবা রাজডাঙা উদয়ন সংঘের পুজোর মূল পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তাঁর অধিক জনপ্রিয়তা। বছর দুই আগে বাড়ির সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকবাজ বাইক চড়ে এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল। সেবার প্রাণরক্ষা হলেও কাউন্সিলরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। সেসময় শাসকদলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে রাজনীতি করার কারণে তিনি টার্গেট হয়েছিলেন বলে অভিযোগ তুলেছিলেন। এও বলেছিলেন, রাজনীতি আর করবেন কি না, তা ভাববেন। তা সত্ত্বেও প্রাথমিক ধাক্কা সামলে নিজের কাজ চালিয়ে গিয়েছেন সুশান্তবাবু। তিনি ছিলেন ১২ নং বরোর চেয়ারম্যান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বুধবার পুরসভায় গিয়ে নিজের ইস্তফাপত্র জমা দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। মেয়রের হাতে তা জমা দেন। পরে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, ‘‘ভোটে হারের পর ২৪, ২৫ দিনে কোনও মন্ত্রীকে দেখা যায়নি। তাঁরা জেড প্লাস, ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতেন, কেউ নেই রাস্তায়। যাঁদের জন্য আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ঘেঁষতে পারতাম না।ধন্যবাদ বিজেপিকে। তাঁরা আমাদের ঘরছাড়া ছেলেদের ঘরে ফেরাতে সাহায্য করেছেন। জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার দায়িত্ব, ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরানো। শেষতম ব্যক্তিকে ঘরে ফেরানো পর্যন্ত কাউন্সিলর পদে থাকব।” নিজের উপর হামলার ঘটনার তদন্তেও দলের উপর ক্ষুব্ধ সুশান্তবাবু। অভিযোগ তুললেন, তদন্ত ঠিকপথে হয়নি। যে হামলাকারীরা জেলে, তাদের জেলে রাখার জন্য প্রতিবার আলাদা করে আইনজীবী নিয়োগ করা হয়েছিল।

Advertisement

কলকাতা পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী। তিনিও এই পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন বলে খবর। তবে সুশান্ত ঘোষের মতো কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন অরূপবাবুও।

অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন দক্ষিণ কলকাতার কাউন্সিলর অরূপ চক্রবর্তী। তিনিও এই পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন বলে খবর। তবে সুশান্ত ঘোষের মতো কাউন্সিলর হিসেবে কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন অরূপবাবুও।তিনি বলেন, ‘‘আজকের হার মেনে না নিলে বিগত নির্বাচনগুলির জয় আর জয় থাকে না। তা মিথ্যা হয়ে যায়। মানুষের রায় আগে মেনে নিতে হবে। নাহলে মানুষ ক্ষমা করবেন না। নেতা, মন্ত্রী, কেষ্টবিষ্টুরা ভেবেছিলেন, সারাজীবন পদে থাকবেন। কিন্তু এখন তাঁরা কোথায়? আজ আমি দলের একটা পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছি। এটা প্রতীকী প্রতিবাদ। কিন্তু ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি। মুখপাত্র পদে কাজ চালিয়ে যাব।” এই দুই কাউন্সিলরের ইস্তফার পর কলকাতা পুরসভায় তৃণমূলের অবস্থা আরও নড়বড়ে হল নিঃসন্দেহে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.