বঙ্গে পালাবদল
Javed Khan

ছাব্বিশের ভোটের ফলের পর তিলজলায় অশান্তি! আদালতে আত্মসমর্পণ জাভেদ খানের

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে গত ৪ মে। ওই রাতেই তিলজলায় অশান্তির অভিযোগ ওঠে তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খান ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ১০ জনের নাম ছিল এফআইআরে। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৯:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২১, ২০২৬, ১৯:২৮

options
link
ছাব্বিশের ভোটের ফলের পর তিলজলায় অশান্তি! আদালতে আত্মসমর্পণ জাভেদ খানের zoom
আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খানের। ফাইল ছবি

ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের ফলপ্রকাশ হয়েছে গত ৪ মে। ওই রাতেই তিলজলায় অশান্তির অভিযোগ ওঠে তৃণমূল বিধায়ক জাভেদ খান ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ১০ জনের নাম ছিল এফআইআরে। তিলজলা এলাকাটি কসবার অধীনে। বৃহস্পতিবার বিধায়ক জাভেদ খান-সহ ১০ জন আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হন। ১ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান। তাঁরা সকলে বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

Advertisement

এর আগে বুধবার আলিপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সাংসদ মালা রায় ও তাঁর ছেলে নির্বাণ রায়। অভিযোগ, টালিগঞ্জ থানা এলাকায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি করেন সাংসদ মালা রায় এবং তাঁর ছেলে। বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে অস্ত্র হাতে হুমকি দেন বলেই অভিযোগ। অস্ত্র আইনে সাংসদ মালা রায়ের বিরুদ্ধে নোটিস জারি হয়। এরপর বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সাংসদ ও তাঁর ছেলে। দু’জনের আগাম জামিন মঞ্জুর করে আদালত। ১ হাজার টাকার বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলা দখলের মরিয়া চেষ্টা করেছিল বিজেপি। দফায় দফায় বাংলায় প্রচারে এসেছিলেন মোদি-শাহ। ২০০ আসনের টার্গেট বেঁধে দিয়েছিলেন। কিন্তু স্বপ্নপূরণ হয়নি। ২০০ তো দূর-অস্ত, ৮০-ও পেরতে পারেনি পদ্মশিবির। একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল। অভিযোগ, তারপর জেলায় জেলায় বিজেপি কর্মীদের উপর অত্যাচার চালিয়েছিল তৃণমূল। কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি ৩২১ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর পেরিয়েছে ৫ বছর। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মানুষ ঢেলে আশীর্বাদ করেছে বিজেপিকে। এবারের ভোটকে হিংসামুক্ত করাই লক্ষ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের। দু-একটি বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া মোটের উপর শান্তিপূর্ণই ছিল বাংলা। পালাবদল হতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন ভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত কর্মীদের পরিবারের দায়িত্ব তাঁর। মঙ্গলবার ফলতায় নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে নিহত কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরকারি চাকরি দেবেন বলে ঘোষণা করেন শুভেন্দু।

Advertisement
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement