বঙ্গে পালাবদল
TMC

বির্তকের জেরে বাইপাসের ধারের বাড়ি ছাড়ছে তৃণমূল? তপসিয়ার পুরনো ঠিকানায় ফিরছে জোড়াফুলের অফিস!

২০০২ সালের ২০ মে তপসিয়ার উত্তরপঞ্চান্ন গ্রামে ৩৬ জি, তপসিয়া রোডে উদ্বোধন হয়েছিল দলের পুরনো ভবন। ২০২১-এ তৃণমূল জিতে এসে সেই বাড়ি ভেঙে সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়। তখন সায়েন্স সিটির আগে বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটনে একটি গেস্ট হাউস ভাড়া নেওয়া হয় দলের কাজ চালানোর জন্য। নতুন বাড়ির কাজ অনেকটাই হয়ে যাওয়ায় ক্যানাল সাউথ রোডে ভাড়ায় নেওয়া বাড়ি এবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৬, ১১:১৮

options
link
বির্তকের জেরে বাইপাসের ধারের বাড়ি ছাড়ছে তৃণমূল? তপসিয়ার পুরনো ঠিকানায় ফিরছে জোড়াফুলের অফিস!
২০০২ সালের ২০ মে তপসিয়ার উত্তরপঞ্চান্ন গ্রামে ৩৬ জি, তপসিয়া রোডে উদ্বোধন হয়েছিল দলের পুরনো ভবন।

পুজোর আগেই তপসিয়ার পুরনো ঠিকানায় নবনির্মিত ভবনে ফিরতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দপ্তর। ২০০২ সালের ২০ মে তপসিয়ার উত্তরপঞ্চান্ন গ্রামে ৩৬ জি, তপসিয়া রোডে উদ্বোধন হয়েছিল দলের পুরনো ভবন। ২০২১-এ তৃণমূল জিতে এসে সেই বাড়ি ভেঙে সংস্কারের সিদ্ধান্ত হয়। তখন সায়েন্স সিটির আগে বাইপাসের ধারে মেট্রোপলিটনে একটি গেস্ট হাউস ভাড়া নেওয়া হয় দলের কাজ চালানোর জন্য। নতুন বাড়ির কাজ অনেকটাই হয়ে যাওয়ায় ক্যানাল সাউথ রোডে ভাড়ায় নেওয়া বাড়ি এবার ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

Advertisement

ছাব্বিশে বিধানসভা ভোটের ফল বেরনোর পরদিনই তৃণমূলের সদর দপ্তরে হামলার অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। পরপর দু’দিন একই ঘটনা ঘটে। পুলিশি হস্তক্ষেপে সমস্যা মেটে। এর মধ্যেই একটি সূত্রে খবর আসে, ওই গেস্ট হাউস যাঁর সেই মডার্ন ডেকরেটর্সের মালিক মন্টু সাহা বাড়ি ফেরত চেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে আর্জি জানিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমে এ দিন তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে মন্টু সাহা জানিয়েছেন, “ভোটের ফল বেরনোর পর ওই বাড়িতে হামলা হওয়ায় তার কিছু অংশের ক্ষতি হয়েছে। সে তো আমারই ক্ষতি। এর মধ্যে অন্য কোনও বিষয় নেই।”

Advertisement

যদিও শনিবার আরেকটি সূত্রে খবর মেলে যে, ওই বাড়ি নাকি খালি করার নোটিস পাঠিয়েছেন মন্টুবাবু। এ দিনই তার জন্য তৃণমূলের পদাধিকারীদের সঙ্গে কথা বলতে সাউথ ক্যানাল রোডের তৃণমূল ভবনে যেতে পারেন তিনি। যদিও এই খবর সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে জানান তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তাঁর বক্তব্য, তৃণমূলই বরং এই বাড়ি ছেড়ে দেওয়ার জন্য মন্টুবাবুকে বলেছে। তিনি বলেছেন, “যা খবর ছড়িয়েছে, বরং তার উল্টোটাই ঘটেছে। দুর্গাপুজোর আগেই পুরনো ঠিকানায় তৈরি হওয়া নতুন ভবনে আমরা উঠে যাব। বাড়ি প্রায় তৈরি। শুধু ওই বাড়ির কিছু অংশ জরুরিভিত্তিতে গুছিয়ে নেওয়া চলছে। তার জন্য তিন মাস সময় চাওয়া হয়েছে। মন্টুবাবু আমাদের কোনও নোটিস দিয়েছেন বলে আমার জানা নেই।”

Advertisement

২০২২ সালের ৩ মে সাউথ ক্যানাল রোডের এই গেস্ট হাউস ভাড়া নিয়ে একটি দলের অফিস চালানোর মতো করে সাজিয়ে কাজ শুরু হয় তৃণমূল ভবন। রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সির নির্দেশে যার দেখভালের দায়িত্ব নেন জয়প্রকাশ। পুরনো ঠিকানায় ৮ তলা নতুন বাড়ি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে অফিসের পাঁচটি তলার সব কটি ঘর মিলিয়ে যা জায়গা তা নতুন ভবনের দু’টি তলাতেই পাওয়া যাবে। চলতি বছরের ভোট পরিচালনাও তাই ওই বাড়ি থেকে করার কথা ভেবে বাড়িটি প্রস্তুত করে নেওয়ার পরিকল্পনা হয়েছিল। কিন্তু ভাবনা পিছিয়ে তখনই ঠিক হয়, ভোট মিটলেই সেই প্রস্তুতি সেরে পুরনো ঠিকানায় ফিরে যাবে দল।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.