ভারতীয় সেনাবাহিনীর মতোই তিন বাহিনী নিয়ে ভোটযুদ্ধে নামবে তৃণমূল। সেনাবাহিনীতে যেমন স্থলসেনা, বায়ুসেনা এবং নৌসেনা, এই তিন বিভাগ রয়েছে, তৃণমূলেও এই রকম তিন বাহিনী রয়েছে। আসন্ন বিধানসভা ভোটে তাঁরা লড়াইয়েরা ময়দানে থাকবেন বলে জানিয়ে দিলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। এই তিন বাহিনীর ভূমিকা কী হবে, তা-ও স্পষ্ট করে দিলেন শাসকদলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।
আরও পড়ুন:
দলের একাংশ মিছিলে হাঁটেন। জায়গায় জায়গায় দলের ব্যানার-ফেস্টুন। পতাকা বহন করেন। অভিষেকের মতে, তাঁরাই দলের স্থলসেনা, অর্থাৎ আর্মি। আর যাঁরা সমাজমাধ্যমে দলের হয়ে প্রচার চালান। লড়াই করেন। তাঁরা আসলে ‘এয়ারফোর্স’ বা বায়ুসেনা। আর দলের যাঁরা সংসদ বা বিধানসভায় মানুষের কথা বলেন। মানুষের পাশে থাকেন। সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়েন। তাঁরা নেভি বা নৌসেনা। অভিষেক নিজেকে নৌসেনাতেই রেখেছেন। কারণ তিনি সাংসদ। সেই যুক্তিতেই তৃণমূলের সর্বময়নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও নৌবাহিনীতেই থাকবেন। কারণ তিনি বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।
সোমবার মিলন মেলায় তৃণমূলের ‘ডিজিটাল যোদ্ধা’দের সম্মেলনে যোগ দেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। সেখানে তিনি বলেন, “আমরা সুপ্রিম কোর্টে মামলা লড়ি, সংসদে মানুষের কথা তুলি। মানুষের পাশে থাকি। আমরা নেভি। যাঁরা মিছিলে হাঁটেন, পতাকা বহন করেন, ব্যানার-ফেস্টুন লাগান, তাঁরা আর্মি। আর আপনারা ডিজিটাল যোদ্ধারা যাঁরা সমাজমাধ্যমে লড়াই করেন, তাঁরা এয়ারফোর্স।”
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে