Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
West Bengal SIR

তৃণমূলের SIR আপত্তিতে ‘সুপ্রিম’ গুরুত্ব, কমিশনকে নোটিস দিল শীর্ষ আদালত

একসপ্তাহের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের জবাব তলব করেছে সুপ্রিম কোর্ট, পরবর্তী শুনানি ১৯ জানুয়ারি।

Advertisement
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৯:২৯

link
সোমনাথ রায়
সোমনাথ রায়

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
তৃণমূলের SIR আপত্তিতে ‘সুপ্রিম’ গুরুত্ব, কমিশনকে নোটিস দিল শীর্ষ আদালত zoom

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (West Bengal SIR) পদ্ধতি নিয়ে গোড়া থেকে আপত্তি তুলেছিল শাসকদল তৃণমূল। আপত্তির মূল বিষয় ছিল, যে পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছে, তা অবৈজ্ঞানিক। এতে ভুলের আশঙ্কা প্রবল। আপত্তি ছিল কমিশনের বলা ‘লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সি’ শব্দবন্ধ নিয়েও। তৃণমূলের তরফে এনিয়ে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেছিলেন রাজ্যসভার সাংসদ তথা বর্ষীয়ান নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন এবং দোলা সেন। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর এজলাসে মামলাটি উঠলে কমিশনকে কার্যত ধাক্কা খেতে হয়। নির্বাচন কমিশনের কাছে জবাবদিহি চাইল শীর্ষ আদালত। এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে হবে। আগামী ১৯ জানুয়ারি পরবর্তী শুনানি।

সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চে এই মামলায় তৃণমূলের হয়ে সওয়াল করেন বর্ষীয়ান আইনজীবী কপিল সিব্বল। তাঁর বক্তব্য, লজিক্যাল ডিসক্রিপান্সির নামে যা চলছে, তা অযৌক্তিক এবং ভীষণ অদ্ভুত এক প্রক্রিয়া। হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের ভিত্তিতে কাজ হচ্ছে। সওয়াল শুনে কমিশনের আইনজীবীর কাছে এ বিষয়ে জানতে চান বিচারপতিরা। কমিশনের আইনজীবী দু সপ্তাহ সময় চান। কিন্তু প্রধান বিচারপতি নির্দেশ দেন, একসপ্তাহের মধ্যেই জবাব দিতে হবে।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায় প্রায় ৫৮ লক্ষ মানুষের নাম বাদ পড়েছে। এই বাদের তালিকায় ঠিক কারা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলে তৃণমূল। অভিযোগ ওঠে, নানা ছুতোয় বৈধ ভোটারদের নাম বাদ পড়েছে। গোটা পদ্ধতির স্বচ্ছতা নিয়েই প্রশ্ন উঠে যায়। তুলনা হয় বিহারে এসআইআর পদ্ধতির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের প্রক্রিয়ার ফারাক নিয়ে।  অবিলম্বে তা বন্ধ করার আবেদন নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল।

সোমবার তৃণমূলের তরফে আইনজীবী কপিল সিবলের সওয়ালের পরিপ্রেক্ষিতে এসআইআর পদ্ধতির ত্রুটি-বিচ্যুতির বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে দেখা হয়। তা নিয়ে কমিশনের আইনজীবীকে প্রশ্ন করেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি। এর জন্য নির্বাচন কমিশনের তরফে ২ সপ্তাহ সময় চাওয়া হলেও তা মেলেনি। এক সপ্তাহের মধ্যে জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.