ধর্মতলার ধরনা প্রত্যাহারের পরই রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরের সরকারি অতিথি ভবনে রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্য়পাল। সেখানেই দেখা হয় তাঁদের। সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে মমতার দাবি, ভোটের আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে অবিচার হয়েছে।
আরও পড়ুন:
মমতার দাবি, “ওঁর প্রতি যা অন্যায় হয়েছে। অবিচার হয়েছে। ভোটের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”
মমতা বলেন, “উনি কাল চলে যাচ্ছেন। ওঁর সঙ্গে অনেকদিন কাজ করেছি। ওঁর পরিবারকেও আমি চিনি। বাংলার শিষ্টাচার হিসাবে আমি তাঁর শুভকামনা করি। ওঁর প্রতি যা অন্যায় হয়েছে। অবিচার হয়েছে। ভোটের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার মনের কথা ওঁকে বলে এসেছি। আমি অনুরোধ করেছি আপনি বাংলায় এতদিন ছিলেন। বাংলাকে ভালো বোঝেন। আবার বাংলায় আসুন।”

গত ৫ মার্চ সন্ধ্যায় আচমকা বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফা দেওয়ার খবর মেলে। তারপর থেকেই এই ইস্তফার কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। কোনও চাপের মুখে তাঁর এই সিদ্ধান্ত, এমন মতপ্রকাশ করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, এই খবরে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত। এনিয়ে জল্পনা যখন তুঙ্গে, সেসময় শনিবার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে আনন্দ বোস জানান, “বাংলায় আমার ইনিংস শেষ হতে চলেছে। বাংলার মানুষদের কাছে স্নেহ ও শুভেচ্ছার জন্য ঋণী। কেরলম আমার রাজ্য। আমি কেরলমে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে কাজ করব। এই মহান লক্ষ্যে আমি জাতীয় নেতৃত্বের নির্দেশনায় কাজ করব। নিজের রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করব।” আর রবিবার কলকাতায় পা রেখে তিনি ফের জানালেন, ইস্তফা দেওয়া তাঁর সচেতন সিদ্ধান্ত। আনন্দ বোসের ছোট্ট মন্তব্য, ‘কারণ সঠিক সময় বলব।’এভাবে বোস যে ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখলেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!