CM Suvendu Adhikari

সেবাশ্রয়ের নামে খুন! ‘চিটিংবাজ ভাইপো একবার ঢুকলে বেরবে না’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

সেবাশ্রয়ের নামে ঠিক কী কী দুর্নীতি হয়েছে, সে সংক্রান্ত লেখা চিকিৎসকের বিস্ফোরক চিঠিও পড়ে শোনান মুখ্যমন্ত্রী।

তরুণকান্তি দাস
তরুণকান্তি দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ২৫, ২০২৬, ১৪:২৬

options
link
সেবাশ্রয়ের নামে খুন! ‘চিটিংবাজ ভাইপো একবার ঢুকলে বেরবে না’, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
সেবাশ্রয় নিয়ে বিধানসভায় বিবৃতি শুভেন্দু অধিকারীর

সেবাশ্রয়ের নামে খুন করেছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিবৃতি জারি করে এমনই দাবি করলেন তিনি। অভিষেককে ‘চিটিংবাজ ভাইপো’ বলে কটাক্ষও করেন। এই অপরাধে চরম শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)।   

Advertisement

এদিন শুভেন্দু বলেন, “এই চিটিংবাজ ভাইপো কীভাবে মানুষের ক্ষতি করেছে দেখুন। বিষ্ণুপুরের একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আল্ট্রা সোনোগ্রাফি, এক্স রে, সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার, মেডিক্যাল কলেজে ছাত্রদের বাইরে নিয়ে গিয়েছে। মেডিক্যাল কলেজে ছাত্ররা চিকিৎসা করতে পারেন? একবার ঢুকলে বেরবে না। চিটিংবাজ ভাইপোকে কেউ বাঁচাতে পারবে না। এ তো খুনের মামলা। দিলীপ মণ্ডলের গোডাউন থেকে মেশিন, এক্সপায়ারি ওষুধ বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সিআইডি, এসটিএফ, পুলিশ ও মেডিক্যাল এক্সপার্টদের নিয়ে তদন্ত। ভাইপো ও সঙ্গীদের ছাড়ার কোনও সিন নেই।” সেবাশ্রয়ের নামে ঠিক কী কী দুর্নীতি হয়েছে, সে সংক্রান্ত লেখা চিকিৎসকের বিস্ফোরক চিঠিও পড়ে শোনান মুখ্যমন্ত্রী। সেবাশ্রয়ে চিকিৎসা করে হাত ও পা বাদ যাওয়া রোগীদের ছবিও দেখান তিনি। 

Advertisement

উল্লেখ্য, তৃণমূল জমানায় ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ সেবাশ্রয় শিবির চালু করেন। নিখরচায় দূরদূরান্তের বহু মানুষ সেখানে চিকিৎসা করাতে যান। সেবাশ্রয়ের বিরুদ্ধে উঠেছে ভূরি ভূরি অভিযোগ। শুক্রবার বিধানসভায় দৃষ্টি আকর্ষণ পর্বে ফলতার বিজেপি বিধায়ক দেবাংশু পণ্ডা। ফলতার বিজেপি বিধায়ক বলেন, “কোথাও মাঠ দখল করে রাখা হয়েছে। কোথাও আবার মাটির তলায় পুঁতে রাখা হয়েছে ওষুধ। এছাড়াও চিকিৎসার নামে নানা অপকর্ম করা হয়েছে। কোনও রোগীর হাত বাদ গিয়েছে। কোনও রোগীর পা বাদ গিয়েছে। ফলতায় মাঠ দখল করে একটি শিবিরের ফলে ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারছে না। সরকারের তরফে ওই প‍্যান্ডেল খুলতে ২৪ লক্ষ টাকা খরচ হবে। ওই প‍্যান্ডেল রেখে দেওয়ার অর্থ ছিল গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফলঘোষণার পর বিজেপি কর্মীদের নিয়ে গিয়ে পালিশ করা। আমি এই বিষয়টি বিধানসভার নজরে আনছি। মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করছি।” সেইমতো শনিবার সকালে বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিবৃতি জারি করেন শুভেন্দু। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.