Bratya Basu

Bratya Basu: আন্দোলনকারীদের চাকরি দিতে চায় রাজ্য, নিয়োগের কৌশল বাতলে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

রাজ্যে ৭৮১টি শিক্ষকপদ শূন্য় রয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৩, ১৫:৩৫

options
link
Bratya Basu: আন্দোলনকারীদের চাকরি দিতে চায় রাজ্য, নিয়োগের কৌশল বাতলে দিলেন শিক্ষামন্ত্রী

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: চাকরির আশায় ধরনামঞ্চে বসে কয়েক হাজার নিয়োগপ্রার্থী। বিরোধীরা অভিযোগ করেছে, তাঁদের নিয়োগ দিতে চায় না রাজ্য সরকার। চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যত কেড়েছে শাসকদল। কিন্তু সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়ে দিলেন, আন্দোলনকারীদের নিয়োগ দিতে চায় রাজ্য। তাঁদের জন্য নতুন পদ তৈরি করা হবে।

Advertisement

মঙ্গলবার বিধানসভায় শিক্ষা সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে রাজ্যের শিক্ষকদের শূন্যপদের তথ্য দেন। তার পর সাংবাদিক সম্মেলন থেকে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে জানান রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী। বলেন, রাজ্যে ৭৮১টি শিক্ষকপদ শূন্য় রয়েছে। এর মধ্যে উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে ১৩টি শিক্ষকপদ, মাধ্যমিকস্তরের স্কুলে ২৮টি, উচ্চপ্রাথমিক স্কুলে ৪৭৩টি এবং প্রাথমিক স্কুলে ২৬৭টি শিক্ষকপদ শূন্য রয়েছে। কিন্তু বিজেপি বারবার দাবি করেছে, রাজ্যে প্রায় ৩ লক্ষ শিক্ষকপদ ফাঁকা রয়েছে। এই দাবি সম্পূর্ণ ভ্রান্ত বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দূষণ কমাতে CNG চালিত গাড়ি পুরসভার, প্রাকৃতিক গ্যাস উৎপাদনে জোর মেয়রের]

ব্রাত্য বসুর কথায়, আমি বিধানসভায় বলেছিলাম পুরনো মোট পদের সংখ্যা প্রায় ৩ লক্ষ। বিজেপি মোট পদের সঙ্গে শূন্যপদকে গুলিয়ে ফেলেছে। এর পরই উঠে আসে চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগ প্রসঙ্গ। প্রশ্নের জবাবে ব্রাত্য জানান, “রাজ্য সরকার কর্মসংস্থানে আগ্রহী। আদালতের বাধা কাটলেই নিয়োগ হবে। তবে তাদের জন্য নতুন পদ তৈরি করা হবে। পদ সৃষ্টি করে নিয়োগ করা হবে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: Mamata Banerjee: বাংলার ঘরে লক্ষ্মী আনছে হস্তশিল্প, বিধানসভায় তথ্য পেশ মুখ্যমন্ত্রীর]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.