Higher Secondary Exam

সেমিস্টারেও পাশ-ফেল, উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা পদ্ধতিতে বদল আনতে চলেছে সংসদ

কোন সেমিস্টারে ন্যূনতম কত নম্বর পেলে পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা হবে, তা সেমিস্টার ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে বলে জানাচ্ছে সংসদ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২৪, ১৮:৩৮

options
link
সেমিস্টারেও পাশ-ফেল, উচ্চমাধ্যমিকের পরীক্ষা পদ্ধতিতে বদল আনতে চলেছে সংসদ
ছবি: প্রতীকী।

দীপালি সেন: ফের পরীক্ষা ও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে বদল আনতে চলেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBHSC)। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে সেমিস্টার পদ্ধতি শুরু হতে চলেছে। এর মাধ্যমেই একাদশ থেকে দ্বাদশ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হতে হবে পড়ুয়াদের। তবে এবার সেই পদ্ধতিতে ফের বদল আসছে। সংসদ সূত্রে খবর, এবার থেকে সেমিস্টারেও (Semestar)পাশ-ফেল থাকবে। অর্থাৎ এক সেমিস্টারে পাশ করলেই পরবর্তীতে যাওয়া যাবে। নইলে নয়। ন্যূনতম কত নম্বর পেলে সেমিস্টারে পাশ বলে গণ্য করা হবে? সংসদ সচিব জানাচ্ছেন, আপাতত উচ্চমাধ্যমিকের (Higher Secondary Exam) পাশ মার্কসকেই ধরা হচ্ছে সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য।

Advertisement

নয়া পদ্ধতি নিয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সচিব প্রিয়দর্শিনী মল্লিক বলেন, “আমাদের সিদ্ধান্ত হয়েছে, প্রত্যেকটা সেমিস্টারের একটা নিজস্ব পাশ মার্কস থাকবে। অর্থাৎ একটা সেমিস্টার থেকে পরবর্তী সেমিস্টারে উত্তীর্ণ হতে গেলে পরীক্ষায় একটা নির্দিষ্ট শতাংশ নম্বর পেতেই হবে। সেই নম্বর কত হবে, তা নিয়ে আমরা এখনও গাইডলাইন (Guidelines)দিইনি। তবে, সেটা ৩০ শতাংশের আশেপাশেই থাকবে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: নিঃসন্তান মহিলাকে দিনরাত গঞ্জনা! শাশুড়িকে ‘খুন’ করে আত্মসমর্পণ গৃহবধূর]

এ নিয়ে সংসদ সচিবের আরও বক্তব্য, “আমরা আধুনিকীকরণ করতে চাই অবশ্যই। চাই পাঠ্যক্রমকে বিজ্ঞানসম্মত করে বানাতে। যা পড়ুয়া, প্রতিষ্ঠান ও সমাজের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে। একইসঙ্গে রাজ্যের পঠনপাঠনের মানকেও ধরে রাখতে চাই। আমরা সবদিক ভেবে কাঠামোটা তৈরি করছি, তাতে টেবিলের চারটে পায়াই শক্ত থাকে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বিধানসভায় পাশ বিল আটকে রাখা যায় না! রাজ্যপালদের ‘হুঁশিয়ারি’ সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির]

সংসদের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, একাদশ ও দ্বাদশ মিলিয়ে মোট চারটি সেমিস্টারের মধ্যে প্রথম তিনটি অর্থাৎ একাদশের দুটি ও দ্বাদশের প্রথম সেমেস্টারের পরীক্ষা দেড় ঘণ্টার হবে। এবং দ্বাদশের দ্বিতীয় সেমেস্টারের পরীক্ষা ২ ঘণ্টার হবে। অর্থাৎ বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দ্বাদশের শেষ সেমিস্টারকে। এই গুরুত্বের বিচারেই কোন সেমিস্টারে ন্যূনতম কত নম্বর পেলে পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ হিসেবে গণ্য করা হবে, তা সেমিস্টার ভিত্তিতে ভিন্ন হতে পারে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন