Agnimitra Paul

নাগরিকদের ‘মুখোমুখি’ অগ্নিমিত্রা, সমস্যা শুনে প্রতিকারের আশ্বাস পুরমন্ত্রীর

মঙ্গলবার সল্টলেকে নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রথম দিনের 'মুখোমুখি' কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের এক ফোনে কথা শুনলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জুলাই ৮, ২০২৬, ১৪:২৭

options
link
নাগরিকদের ‘মুখোমুখি’ অগ্নিমিত্রা, সমস্যা শুনে প্রতিকারের আশ্বাস পুরমন্ত্রীর
ফাইল ছবি।

কলকাতা পুর এলাকার নাগরিকদের থেকে সমস্যার কথা শুনবেন বলে প্রথমদিন মুখোমুখি অনুষ্ঠানে সারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমস্যার কথা পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালকে (Agnimitra Paul) জানালেন নাগরিকরা। নিউটাউন থেকে ভবানীপুর, মহেশতলা থেকে বর্ধমান আবার উত্তরবঙ্গের ফালাকাটা থেকেও এল নাগরিকদের ফোন। প্রথম দিনে পুর নাগরিকদের সমস্যার কথা জানতে এমনই ভুরি ভুরি অভিযোগ ফোন এসেছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের কাছে। তবে কোনওটাই মন্ত্রী এড়িয়ে যাননি। নাগরিকদের অভাব-অভিযোগের কথা গুরুত্ব সহকারে শুনে দ্রুত সমস্যা সমাধানের আশ্বাসও দিলেন তিনি। আবার অন্নপূর্ণা যোজনা থেকে রেশন কার্ড কিংবা ভোটার কার্ডের সমস্যা নিয়েও ফোন এসেছে। এগুলি তাঁর পুর-নগরোন্নয়ন দপ্তরের বিষয় নয়। তাও সেই বিষয়ে কোথায় জানাতে হবে তাও পুরমন্ত্রী বলে দিয়েছেন নাগরিকদের। এই কয়েকটি সমস্যা কেবল উদাহরণ মাত্র।

Advertisement

মঙ্গলবার সল্টলেকে নগরোন্নয়ন দপ্তরের প্রথম দিনের ‘মুখোমুখি’ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের এক ফোনে কথা শুনলেন পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা। ১৮০০২০৩৫১২৩ একটি মোবাইল নম্বর চালু করে প্রচার শুরু করেছিল দপ্তর। জঞ্জাল, জমা জল, বেহাল রাস্তা, নিকাশি ইত্যাদি সমস্যা তো ছিলই। তবে এ দিনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে মন্ত্রীর কাছে ফোন এসেছে, সরকারি ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’র নাম নথিভুক্তিকরণ, নাম বাদ পড়া, টাকা না ঢোকা, যাচাই ইত্যাদি। তবে বিষটি নিজের দপ্তরের এক্তিয়ারে না পড়লেও, সমস্যা এড়িয়ে যাননি মন্ত্রী। অন্নপূর্ণা সমস্যায় অগ্নিমিত্রা আশ্বাসের বাণী, “আমার নাম করে সংশ্লিষ্ট বিডিও, মহকুমা অফিসে যোগাযোগ করুন।”

Advertisement

মন্ত্রীর কাছে ফোন এসেছে নিউটাউনের ১২ নম্বর জলের ট্যাঙ্ক এলাকা থেকে। ঠিক ডিরোজিও কলেজের পিছনে জঞ্জলের স্তূপ। এখন ঝিরিঝিরি জলে ঝাঁজালো দুর্গন্ধে টেকা দায় হচ্ছে! আবার বালি পুরসভা। ঠিকানা-বি/২৭বিবেকানন্দ কলোনি গৃহস্থের ময়লা-আবর্জনার স্তূপ হয়েছে। উন্মুক্ত অবস্থায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও সাফাই হচ্ছে না। আবার মহেশতলা পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড। পুরসভার পিছনের এই ওয়ার্ডে বহুদিন জল জমে আছে। যার ফলে মশার উৎপাতে অতিষ্ঠ আবাসিকরা। ফোন এসেছে কলকাতা পুরসভার ভবানীপুরের ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের এক বাসিন্দার মিউটেশনের জটিলতার সমাধান চেয়েও। সমস্যা মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী। আবার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড মহেশতলা পুরসভার পিছনে জল জমে রয়েছে। দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন। বর্ধমান পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে ড্রেন পরিষ্কার হয়নি জেনে মন্ত্রীর আশ্বাস, আজ সকালের মধ্যে পরিষ্কার হয়ে যাবে। ফালাকাটার ১০ নম্বর ওয়ার্ড থেকে ফোন এসেছিল। পুর দপ্তর সূত্রের খবর, কিছু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে পূর্বে নির্ধারিত নম্বরে সমস্যা হয়। তাই তড়িঘড়ি দপ্তরের ‘পাবলিক গ্রিভান্স মনিটরিং সেলে’র ১৮০০৩৪৫০৯৩৮ এই নম্বরে কথা বলে নাগরিক সমস্যা এবং প্রতিকারে জবাব দিয়েছেন মন্ত্রী।

Advertisement

অগ্নিমিত্রা বলেন, “প্রথম দিনে মানুষের ব্যাপক সাড়া। আগামী মঙ্গল-বৃহস্পতি-শনিবার সপ্তাহে তিন দিন মানুষের কথা শুনব আমি। বাকি দিনগুলি দপ্তরের অফিসাররা মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন।” ৯ জুলাই ‘মুখোমুখি’ অনুষ্ঠানে আসানসোল পুরসভা এলাকার মানুষের সমস্যার কথা শুনবেন পুরমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.