বঙ্গে SIR
SIR

চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম বাদ! এবার কী করবেন?

অভিযোগ উঠছে, বহু বৈধ ভোটারের নামও নাকি এই তালিকায়! যদিও এক্ষেত্রে কার্যত 'ভুল' স্বীকার করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়ালের দাবি, ''এত বড় প্রক্রিয়ায় ভুল হতেই পারে। নাম বাদ গেলে তা চ্যালেঞ্জ করা যেতেই পারে।''

Advertisement
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত
বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬, ১৯:০৪

options
link
চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় নাম বাদ! এবার কী করবেন?
ফাইল ছবি।

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অবশেষে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছিল ২৭ অক্টোবর, ২০২৫। সেদিনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কাজ শেষ হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে। মাঝে খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিলেন ৫৮ লক্ষ ভোটার। আর প্রকাশিত হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ এবং বাদ পড়েছে অতিরিক্ত ৫ লক্ষেরও বেশি। অর্থাৎ সবমিলিয়ে বাতিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জন ভোটারের নাম। অভিযোগ উঠছে, বহু বৈধ ভোটারের নামও নাকি এই তালিকায়! যদিও এক্ষেত্রে কার্যত ‘ভুল’ স্বীকার করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার মনোজ আগরওয়ালের দাবি, ”এত বড় প্রক্রিয়ায় ভুল হতেই পারে। নাম বাদ গেলে তা চ্যালেঞ্জ করা যেতেই পারে।” কীভাবে তা সম্ভব তাও জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

Advertisement

মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, নাম বাদ গেলে ডিও (জেলাশাসক) এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে নতুন করে আবেদন করতে হবে। এক্ষেত্রে সমস্ত নথি যুক্ত করে ফর্ম ৬ পুরণ করে জমা দিতে হবে। আর সেই সমস্ত নথি খতিয়ে দেখে ফের নাম তোলার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার। তবে পুরো প্রক্রিয়াটাই অনলাইনের মাধ্যমে করতে হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। কিন্তু যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও কেন নাম বাদ তা নিয়ে ইতিমধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। যদিও এক্ষেত্রে মনোজ আগরওয়ালের যুক্তি, ”৭ কোটিরও বেশি মানুষের এসআইআর হয়েছে। অনেক বড় প্রক্রিয়া। সেক্ষেত্রে দু-তিনশো পার্সেন্টেজেই আসে না। এইটুকু ভুল হতেই পারে।”

Advertisement

বলে রাখা প্রয়োজন, সবকিছু ঠিক থাকলে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ভোটের দিন ঘোষণা করতে পারে নির্বাচন কমিশন। হাতে আর কয়েকটা দিন বাকি! ভোটের কয়েকমাস আগে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তোলে শাসকদল তৃণমূল। এমনকী প্রক্রিয়া বন্ধের আবেদন জানিয়ে একাধিকবার কমিশনকে চিঠিও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে একাধিক ত্রুটির কথা যেমন তুলে ধরা হয়, তেমনই তাড়াহুড়োয় বৈধ ভোটারের নাম বাদ পড়ে যেতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন প্রশাসনিক প্রধান। কার্যত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল! উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.