Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
SIR Final List

কমিশনের ‘বিচারাধীন’ তালিকায় তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক! প্রত্যেকেই সংখ্যালঘু

শনিবার বিকেলের পর সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) মনোজ আগরওয়াল।

Advertisement
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ১৯:২৯

link
শাহজাদ হোসেন
শাহজাদ হোসেন

শেষ আপডেট: মার্চ ১, ২০২৬, ১৯:২৯

options
link
কমিশনের ‘বিচারাধীন’ তালিকায় তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক! প্রত্যেকেই সংখ্যালঘু zoom

দীর্ঘ চারমাস বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (SIR Final List) প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। প্রকাশিত তালিকায় কমবেশি প্রায় ৬৩ লক্ষ মানুষের নাম কাটছাঁট হয়েছে। যা নিয়ে ভোটারদের মধ্যে নতুন করে তৈরি হয়েছে আতঙ্ক-উদ্বেগ। তালিকায় ‘বিচারাধীন’ বা ‘অমীমাংসিত’ হিসেবে এমন কারও কারও নাম চিহ্নিত করা হয়েছে, যা একেবারেই বিস্ময়কর! এমনকী এই অমীমাংসিত ভোটারের তালিকায় রয়েছেন কয়েকজন জনপ্রতিনিধিও। আছেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন। সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস এবং তাঁর দুই ভাই, জলঙ্গীর বিধায়ক আবদুর রাজ্জাক। এছাড়াও বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল এবং আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমানের নাম। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই পাঁচজন বিধায়কই সংখ্যালঘু! 

তালিকায় আছেন জঙ্গিপুরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন। সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাস এবং তাঁর দুই ভাই, জলঙ্গীর বিধায়ক আবদুর রাজ্জাক। এছাড়াও বিচারাধীনের তালিকায় রয়েছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল এবং আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমানের নাম।

শনিবার বিকেলের পর সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম দফার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেন রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) মনোজ আগরওয়াল। রাজ্যের এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছিল ২৭ অক্টোবর, ২০২৫। সেদিনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কাজ শেষ হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সালে। মাঝে খসড়া তালিকায় বাদ পড়েছিলেন ৫৮ লক্ষ ভোটার। আর প্রকাশিত হওয়া চূড়ান্ত তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ২৮৪ এবং বাদ পড়েছে অতিরিক্ত ৫ লক্ষেরও বেশি। অর্থাৎ সবমিলিয়ে বাতিল ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৫২ জন ভোটারের নাম। আর এই তালিকা প্রকাশ্যে আসতেই শোরগোল পড়ে যায়। দেখা যায়, প্রকাশিত তালিকায় অ্যাজুডিকেশনে রয়েছে আমডাঙার বিধায়ক রফিকুর রহমানের নাম। অর্থাৎ তাঁর বিষয়টি অমীমাংসিত বিচারাধীন।

Advertisement

কিন্তু রবিবার সকাল হতেই দেখা যায় তালিকাটা অনেক লম্বা! জঙ্গিপুরের বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী জাকির হোসেন এর আগে শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন। শুনানিতে পাসপোর্ট, সরকারি বন্দুকের লাইসেন্স এবং সচিত্র বিধায়কের পরিচয়পত্র জমা দিয়েছিলেন। শুধু জাকিরই নয়, একইভাবে সাগরদিঘির বিধায়ক বাইরন বিশ্বাসও শুনানিতে হাজির দিয়েছিলেন। কিন্তু নামের প্রকাশিত তালিকায় দুই বিধায়ককেই ‘বিচারাধীন’ বা ‘অমীমাংসিত’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও জঙ্গিপুরের সাংসদ তথা তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক জেলা সভাপতি খলিলুর রহমানের পরিবারের সাতজনের নাম বিচারাধীন তালিকায় আছে।

এদিকে ‘বিচারাধীন’ বা ‘অমীমাংসিত’ হিসাবে তালিকায় নাম আসায় ক্ষুব্ধ তৃণমূলের বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল। তাঁর দাবি, ”পেনশন হোল্ডার আমি। চাকরি করেছি ৩৬ বছর। দু’বারের বিধায়ক। ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও নাম রয়েছে। এরপরেও বাবার নামের উচ্চারণের সামান্য ভুলে শুনানিতে ডাকা হয়েছিল। সমস্ত নথি জমাও দিয়েছিলাম।” এরপরেও বিচারাধীন হিসাবে কেন নাম এসেছে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল বিধায়ক। এই বিষয়ে জেলা এবং রাজ্য নেতৃত্বকে জানাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.