Rail Station

শিয়ালদহ ডিভিশনে সব থেকে নোংরা স্টেশন কোনটি? নাম শুনলে চমকে যাবেন

শিয়ালদহ ডিভিশনে সব থেকে অপরিষ্কার স্টেশন সন্তোষপুর এবং বাঘা যতীন। সম্প্রতি পূর্ব রেলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এই তথ‌্য পাওয়া গিয়েছে। যেখানে শিয়ালদহ স্টেশনে চার হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ‌্য পরিষ্কার করা হয়েছে, সেখানেই সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশনে ৪,০০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মার্চ ২২, ২০২৬, ০৯:০৪

options
link
শিয়ালদহ ডিভিশনে সব থেকে নোংরা স্টেশন কোনটি? নাম শুনলে চমকে যাবেন
প্রতীকী ছবি।

শিয়ালদহ ডিভিশনে সব থেকে অপরিষ্কার স্টেশন সন্তোষপুর এবং বাঘা যতীন। সম্প্রতি পূর্ব রেলের পরিচ্ছন্নতা অভিযানে এই তথ‌্য পাওয়া গিয়েছে। যেখানে শিয়ালদহ স্টেশনে চার হাজার বর্গফুট এলাকা থেকে ৫০ টন বর্জ‌্য পরিষ্কার করা হয়েছে, সেখানেই সন্তোষপুর এবং বাঘাযতীন স্টেশনে ৪,০০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ১০০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে। অন্যান্য প্রধান এলাকাগুলোর মধ্যে মগরাহাটে ২,০০০ বর্গফুট থেকে ৩৫ টন, পাতিপুকুর ও টালায় ৩০ টন করে, এবং বিধাননগর ও কলকাতা স্টেশনে ২০ টন করে আবর্জনা সরানো হয়েছে।

Advertisement

এছাড়া লেকগার্ডেন ও সোদপুরে ১০ টন করে, সোনারপুরে ৬ টন এবং হালিশহর ও আগরপাড়ায় ৫ টন করে আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। নিউ গড়িয়া স্টেশনেও ৮০০ বর্গফুট এলাকা থেকে ৪ টন বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে। পূর্ব রেলওয়ের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড হাউসকিপিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালায়। যাতে কয়েকশো টন পুরনো বর্জ্য অপসারণ করে রেলওয়ের বিশাল এলাকা উদ্ধার করা হয়েছে। শিয়ালদহ ডিভিশন জুড়ে দীর্ঘদিনের ‘ব্ল্যাক স্পট’ বা ময়লার ভাগাড়গুলোকে লক্ষ্য করে চালানো এই অভিযানে ২৫,০০০ বর্গফুটেরও বেশি এলাকা থেকে ৪০০ টনেরও বেশি আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়াও টালিগঞ্জ স্টেশনের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের বুকিং কাউন্টার সংলগ্ন পথটি, যা স্থানীয় বাজারের বর্জ্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল, তা সম্পূর্ণ স্যানিটাইজ ও পরিষ্কার করা হয়েছে।

Advertisement
Which is the dirtiest rail station in Sealdah division
ফাইল ছবি।

সন্তোষপুরে একটি বড় পুনরুদ্ধার প্রচেষ্টায় দেখা গিয়েছে যে, স্টেশনে যাওয়ার যে রাস্তাটি স্থানীয় সবজি বাজারের বর্জ্যের নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিল, সেটি কেবল পরিষ্কারই করা হয়নি। বরং ভবিষ্যতে ময়লা ফেলা রোধ করতে সেখানে বেড়া দেওয়া হচ্ছে। উদ্ধার হওয়া এই সমস্ত জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। পূর্ব রেলওয়ের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শিবরাম মাঝি জানিয়েছেন, রেলের এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হল সাধারণ মানুষ এবং স্থানীয় বিক্রেতাদের রেলওয়ে চত্বরকে ডাস্টবিন হিসাবে ব্যবহার করা থেকে নিরুৎসাহ করা। বদলে পাশাপাশি পুরো ডিভিশন জুড়ে একটি স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.