গৌতম ব্রহ্ম: ট্যারান্টুলার আক্রমণ এবার মহানগরেও!
এবারের শিকার দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া এলাকার বাসিন্দা এক গৃহবধূ। নাম পুতুল পৈলান। পুজোর ফুলের মধ্যে বিষাক্ত মাকড়সাটি ছিল বলে জানিয়েছেন ওই গৃহবধূর পরিবার। বছর চব্বিশের পুতুলের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁর স্নায়ুর উপর যথেষ্ট প্রভাব পড়েছে। তাঁকে বেশ কয়েকটি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। আইভি ফ্লুইডও দেওয়া হয়েছে বলে খবর।
[ সৌজন্যের মোড়কে রাজনীতি? সমাবর্তন মঞ্চেও সরকারি প্রকল্পের গুণ গাইলেন প্রধানমন্ত্রী ]
গড়িয়ার বোড়ালের রক্ষিত মোড় এলাকায় নিজের বাড়িতে বৃহস্পতিবার সকালে পুজো করতে বসেন পুতুল। পুজোর ফুল সাজানোর সময়ে আচমকাই তাঁর হাতে বিষাক্ত কিছু কামড়ায়। তিনি চিৎকার করে ওঠেন। পরিবারের লোকজন এসে ওই বিষাক্ত পোকাটিকে মেরে ফেলেন। মৃত পোকাটিকে তাঁরা চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। তা দেখেই চিকিৎসকরা জানান, ওটি ট্যারান্টুলা।
পুতুলকে গড়িয়ার কাছে হিন্দুস্তান মোড়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। এদিকে ট্যারান্টুলা মাকড়সাটি কামড়ানোর ফলে ওই গৃহবধূর ডান হাতের আঙুল থেকে গোটা স্নায়ুর উপরে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ব্যথা কমানোর ইনজেকশন দিয়েও ব্যথা কমানো যাচ্ছে না। এর কোনও প্রতিষেধকও নেই। তাই ডেটল, ঠান্ডা জল, বরফ দিয়ে ক্ষতস্থান ধুইয়ে প্যারাসিটামল ও হাইডোকর্টিজেন ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে যাতে অ্যালার্জির কোনও সমস্যা না হয়।
[ মহিষাদলে দেখা মিলল ট্যারান্টুলার, আতঙ্কে স্থানীয় বাসিন্দারা ]
উল্লেখ, কয়েকদিন আগে চেন্নাই থেকে কলকাতা ফেরার পথে ট্রেনের মধ্যেই বিষাক্ত পোকার কামড়ে এক যাত্রী মারা যান সন্দেহ করা হচ্ছে, ওটিও ট্যারেন্টুলা। এদিকে গরম পড়তেই ট্যারান্টুলার আতঙ্ক ফিরেছে পূর্ব মেদিনীপুরেও। স্থানীয়দের দাবি, মহিষাদল ও পটাশপুরে এই বিষাক্ত মাকড়সার দেখা মিলেছে। ঝাড়গ্রামেও মাকড়সার কামড়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এক মহিলা।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা