Beauty Tips

বর্ষায় চিটচিটে ত্বক, ঝঞ্ঝাটে ফেলছে ব্রণ! সিরাম নয়, বাছুন সঠিক ফেসওয়াশ

বর্ষার মরশুমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। কখনও শুষ্ক আবার কখনও তেলতেলে ভাব খুব ঝঞ্ঝাটে ফেলে এই সময়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৬, ১৬:৫৮

options
link
বর্ষায় চিটচিটে ত্বক, ঝঞ্ঝাটে ফেলছে ব্রণ! সিরাম নয়, বাছুন সঠিক ফেসওয়াশ
বৃষ্টির দিনে দামি সিরামের চেয়েও কেন জরুরি সঠিক ফেসওয়াশ?

বর্ষার মরশুমে ত্বকের বাড়তি যত্ন প্রয়োজন। কখনও শুষ্ক আবার কখনও তেলতেলে ভাব খুব ঝঞ্ঝাটে ফেলে এই সময়। অনেক ক্ষেত্রেই ব্রন, ব্ল্যাকহেডস কিংবা ফাঙ্গাল ইনফেকশন হতেও দেখা যায়। কেউ কেউ এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে ব্যবহার করেন নামী ব্র্যান্ডের দামি সিরাম। কিন্তু আদতে কি তাতে কোনও লাভ হয়? নোংরা ত্বকের ওপর সিরাম লাগানো মানে টাকা অপচয়। তাই বর্ষার রূপটানে সবার আগে বদল আনুন ফেসওয়াশে।

Advertisement
glass skin trend side effects perfect skin social media warning
ফাইল ছবি

পিএইচ ব্যালেন্স ঠিক রাখা চাই
আমাদের ত্বকের একটি স্বাভাবিক অ্যাসিড স্তর থাকে, যার পিএইচ (pH) মাত্রা সাধারণত ৪.৭ থেকে ৫.৫-এর মধ্যে হওয়া উচিত। বর্ষায় ক্ষারযুক্ত সাধারণ সাবান বা চড়া ফেসওয়াশ ব্যবহার করলে এই ভারসাম্য নষ্ট হয়। ফলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে ওঠে। ফলে, ব্যাক্টেরিয়ার বাড়বাড়ন্ত হয়। চিকিৎসকদের মতে, এই আর্দ্র আবহাওয়ায় এমন ফেসওয়াশ বেছে নেওয়া উচিত যা ত্বকের প্রাকৃতিক আর্দ্রতা বজায় রেখে গভীরে জমে থাকা ময়লা সাফ করবে।

Advertisement

ফেসওয়াশ শুধু ত্বক পরিষ্কার করে না, পাশাপাশি ত্বকের পুষ্টিও জোগায়। তাই, এই বিষয়গুলো নজর দেওয়া প্রয়োজন।

Advertisement

তৈলাক্ত ত্বক: আপনার ত্বক যদি তৈলাক্ত এবং ব্রণপ্রবণ হয়, তবে স্যালিসিলিক অ্যাসিড যুক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। এটি রোমকূপের গভীরে গিয়ে অতিরিক্ত তেল দূর করে।

দাগছোপ দূর করতে: গ্লাইকোলিক অ্যাসিড বা ল্যাকটিক অ্যাসিড যুক্ত ফেসওয়াশ মৃত কোশ সরিয়ে ত্বকের জেল্লা ফেরায়। গ্লাইকোলিক অ্যাসিড ব্রনর দাগ কমায় এবং ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখে।

সংবেদনশীল ত্বক: যাঁদের ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল, তাঁরা গ্লুকোনোল্যাকটোন বা পিএইচএ (PHA) যুক্ত ক্লেনজার বেছে নিতে পারেন। এতে ত্বক জ্বালা করার ভয় থাকে না।

ফাইল ছবি

ফেসওয়াশে এই উপাদান আছে কিনা দেখে নিন
ত্বকের তৈলাক্ত ভাব এবং প্রদাহ কমাতে জিংক পিসিএ (Zinc PCA) দারুণ কাজ করে। এর সঙ্গে নিয়াসিনামাইড যুক্ত হলে তো কথাই নেই, এটি ত্বকের তৈলাক্ত ভাব নিয়ন্ত্রণ করে বর্মের মতো রক্ষা করে। অন্য দিকে, শুষ্ক ত্বকের জন্য সেরামাইড, প্রিবায়োটিক এবং পোস্টবায়োটিক যুক্ত ফেসওয়াশ অত্যন্ত উপকারী। এগুলি ত্বকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

ফেনা হওয়া ফেসওয়াশ কি ক্ষতিকর?
অনেকেই ভাবেন ফেনা হওয়া ফেসওয়াশ ত্বকের ক্ষতি করে। কিন্তু আধুনিক ফর্মুলায় তৈরি ফেনা বা ফোম ক্লেনজার বর্ষার জন্য আদর্শ। এগুলি হালকা হয় এবং ত্বককে চটচটে না করে অতিরিক্ত তেল ও সানস্ক্রিন সহজেই ধুয়ে ফেলে। তবে একজিমা বা রোজেশিয়ার মতো সমস্যা থাকলে ক্রিম বা লোশনযুক্ত ক্লেনজার ব্যবহার করাই ভালো।

বার বার মুখ ধোয়ার ভুল ভুলেও নয়
গরমে-ঘামে দিনে চার-পাঁচ বার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধোয়ার ভুল অনেকেই করেন। এতে ত্বক আরও বেশি তেল তৈরি করতে শুরু করে। দিনে মাত্র দু’বার ফেসওয়াশ ব্যবহার করাই যথেষ্ট। একমাত্র অতিরিক্ত ঘাম হলে বা শরীরচর্চার পর আরও একবার মুখ ধোয়া যেতে পারে। বর্ষার দিনে ত্বক সুস্থ রাখার সহজ পাঠ শুরু হোক সঠিক ফেসওয়াশ দিয়েই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.